গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী তাইমুর মবিন বলেন, দুই মাসের অধিক হয়ে যাচ্ছে আমরা ক্লাসে বসতে পারছি না। এতদিন পর ক্লাস চালু হবে কিন্তু সেটা অনলাইনে কেন? আমরা অনলাইন ক্লাস বর্জন করব। কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন থাকবে যেন সামনের সপ্তাহ থেকে অফলাইন ক্লাস চালু করে।
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী আব্দুল মমিন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যেন সব সময় নিজেদের দিকটাই বিবেচনা করে বারবার স্বার্থপরতার জানান দিচ্ছেন। এই যেমন নতুন করে অনলাইনে ক্লাস।
.png)
আরেক শিক্ষার্থী আশিকুল ইসলাম বলেন, দেশে প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানগুলো যদি খোলা থাকতে পারে, তাহলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন অনলাইনে ক্লাস নিতে চায়?
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেনশন স্কিমকে কেন্দ্র করে আমাদের,পরীক্ষা ক্লাসগুলো বন্ধ হয়ে যায়। এখন তো আপনাদের দাবি দেওয়া পূরণ হয়েছে। তাহলে শিক্ষকরা কেন অফলাইনে ক্লাস নিতে পারবেন না? আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানতে চাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আইনুল ইসলাম বলেন, আমরা ভাইস চ্যান্সেলরের সঙ্গে আলোচনা করে সব ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষকবৃন্দসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব অফলাইন ক্লাসে ফেরার চেষ্টা করব।
প্রসঙ্গত, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮তম সিন্ডিকেট সভায় ১৮ আগস্ট থেকে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শিক্ষক ও ছাত্র বৈষম্যবিরোধী ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে অফলাইন ক্লাসের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।