খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নাইমুর নাহিদ ইমন ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ ও তৌফিক হাসান হৃদয় ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী হলেও, বিভিন্ন কারণে তারা যথাক্রমে দুই এবং এক বছর ড্রপ দিয়ে ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্লাস করছেন।
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকের চূড়ান্ত ভাইবা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাইমুর নাহিদ ইমন এবং তৌফিক হাসান হৃদয়ও অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু নাইমুর নাহিদ ইমন ও তৌফিক হাসান হৃদয় ক্যাম্পাসে আসতে ভয় পাচ্ছেন। সে জন্য মানবিক কারণ দেখিয়ে বিভাগ তাদের ভাইবা অনলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
.png)
এদিকে বিভিন্ন সময়ে ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে এই দুই শিক্ষার্থীসহ ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের মোট ৬ জন শিক্ষার্থীর নামে বিভাগের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। অন্য চারজন শিক্ষার্থী হলেন, শেহজাদ হাসান (২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ), শুভ (২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ), হাসান (২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ), রঞ্জু (২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ)। তবে এই বিষয়টি জানাজানি হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে বিভাগটি তাদের অনলাইনে ভাইবা নেওয়া থেকে সরে এসেছেন বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে বিভাগটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান বলেন, 'এমন একটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এটা সত্য। তবে কিছু শিক্ষার্থী এসে আমাদের কাছে এই দুই শিক্ষার্থীর নামে অভিযোগ করেছেন। সে জন্য আমরা অনলাইনে ভাইবা নেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে বের হয়ে এসেছি। ওদেরকে সশরীরেই ভাইবাতে অংশগ্রহণ করতে হবে।'