বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীদের ‘বিশ্ব নবীর অপমান, সইবে না রে মুসলমান’, ‘ইসলামের শত্রুরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ', ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ৪৭ ব্যাচের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মশিউর রহমান বলেন, ‘ভারতের মহারাষ্ট্রের হিন্দু পুরোহিত রামগিরি মহারাজ কর্তৃক রাসুল (সা.) কে নিয়ে কটূক্তি এবং বিজেপির বিধায়ক নিতেশ নারায়ণ কর্তৃক তাতে সমর্থন দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করে ভারত সরকারকে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার করতে হবে। বাংলাদেশেও নবীকে নিয়ে কটুক্তিকারিদের সর্বোচ্চ শাস্তির আইন পাস করতে হবে।’
.png)
৫০ ব্যাচের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার বলেন, ‘রসূলের চরিত্র নিয়ে সেই জাহেলিয়াত যুগে কাফেররা পর্যন্ত প্রশ্ন তুলতে পারে নাই। কিন্তু আমরা দেখেছি বর্তমান সময়ে এসে ভারতের কিছু উগ্রবাদীরা বারবার রাসুল (সা.) এর চরিত্র নিয়ে আঘাত করে। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই মুসলমানরা এগুলো সহ্য করবে না। বিজেপির নেতা নিতেশ রানেক মুসলমানদের হুঁশিয়ারি দিয়েছে, কিন্তু আমরা এগুলো ভয় পাই না।’
তিনি আরো বলেন, ‘মুসলিমরা বীরের জাতি। রাসুল (সা.) এর মহব্বতে এবং সম্মান রক্ষার্থে মুসলিমরা রক্ত দিতেও দ্বিধাবোধ করে না। ভারতে মুসলিমদের লং মার্চের প্রতি আমরা পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি এবং বর্তমান সরকারের নিকট এর সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’