সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীরা ত্বহার বিরুদ্ধে গত ১৪ জুলাই আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগ আনেন। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেন প্রক্টর। তাদের বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দফতরের প্রহরী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
.png)
ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, আমি এখানে এসেছি শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলতে। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কিংবা ভাইকে বাঁচানোর জন্য না। শিক্ষার্থীরা তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে এসেছে তাই আমার এখানে আসা। আগামীতে কোনো শিক্ষার্থীকে প্রক্টর অফিসে আনা হলে আমি আবার আসবো শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয় মোহাম্মদ আলী বলেন, অভিযুক্ত ত্বোহা ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের উচ্চমান সহকারী হিসেবে কর্মক্ষেত্রে যোগদানের জন্য আজকে প্রশাসনিক ভবনে এসেছিলেন। এ সময় তাকে আমরা ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি। মূলত সে গত ১৪ জুলাই জিরো পয়েন্ট এলাকায় শিক্ষার্থী হামলার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিল। সেই সঙ্গে তিনি ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ও বাংলার মুখ বগির লিডার ছিলেন।
নাট্যকলা বিভাগের ১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী রিজাউর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ত্বহা ১৪ জুলাই রাতে জিরো পয়েন্ট এলাকায় ২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী সুমনকে হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল। এরই প্রেক্ষিতে আমরা তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি এবং পরবর্তীতে তার বাবার থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ত্বহাকে আমার অফিসে নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দাখিল করতে পারেনি। শিক্ষার্থীরা শুধু মৌখিক অভিযোগ দিয়েছে। যার কারণে আমি তার বাবার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছি।