শনিবার (১৯ অক্টোবর) যোহর নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মাঠে এই নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা নামাজের আগে দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক বলেন, যে ভূমিতে আমরা দাঁড়িয়ে আছি তা আল্লাহর। আমাদের মাথার ওপর যে আসমান তাও আল্লাহর। এই ভূমিতে এবং আসমানের নিচে আমরা আল্লাহর জন্য যুদ্ধ করেছি। বুদবুদের মত জীবনকাল যে আল্লাহর অনুকূলে কাটিয়ে দিল তার চেয়ে ভাগ্যবান আর কে আছে?
.png)
তিনি আরো বলেন, তার রক্ত যদি কখনো বয়ে যায় তাহলে সেই স্রোত আকাঙ্ক্ষিত নহরে গিয়েই মিশবে। ইয়াহিয়া সিনওয়ারের তার জীবন দিয়ে সাক্ষ্য দিয়ে গিয়েছে, আমরাও একইভাবে সাক্ষ্য দিতে চাই। হে আল্লাহ! আমরা মাজুর আমরা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ করতে পারছি না। আমরা জিহাদের কথা উচ্চারণ করতে পারছি না। আমাদের সুশীলরা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহকে মাইনাস করেছে। আমরা সুশীল জীবন চাই না। আমরা ইয়াহিয়ার মত জীবন দিতে চাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী আহসানুল্লাহ হৃদয় বলেন, ১৯৬৮ সাল থেকে ইসরায়েল গাজায় হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে তারা হত্যা করেছে। নারী-শিশু থেকে শুরু মায়ের কোলে দুগ্ধজাত শিশুও তাদের এই নির্মমতা থেকে রক্ষা পায়নি।
যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শহীদুল হক বলেন, আজকে মুসলিম উম্মা নেতৃত্ব শূন্য। যারাই নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছে তাদেরকে হত্যা করা হচ্ছে। আমরা ইসরায়েলকে জানিয়ে দিতে চাই, পৃথিবীতে যদি একজন ব্যক্তিও ইমান নিয়ে বেঁচে থাকে তাহলে সেই ব্যক্তিই আল্লাহর জমিনে কালেমার পতাকা উড়বে। হাদিসের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হবে। আমাদের বিজয় অবশ্যই আসবে এবং পৃথিবীতে খেলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে।