ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অনুপাত বৈষম্য নিরসনের দাবি

ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:২৫, ১৭ নভেম্বর ২০২৪
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অনুপাত বৈষম্য নিরসনের দাবি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৩ সব শূন্য পদ পূরণের মাধ্যমে ৩:১ অনুপাতে পদসংখ্যা বৃদ্ধি করে পুনরায় তৃতীয় ধাপের ফলাফলের দাবি তুলেছেন একদল ফল প্রত্যাশী।

রোববার (১৭ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তোলেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেয়া ফল প্রত্যাশী ফারজানা মনি বলেন, তৃতীয় ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ১০ নম্বর শর্তে উল্লেখ ছিল, শূন্যপদ পূরণ করা হবে। সেখানে আমরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ও উপজেলা শিক্ষা অফিসে যাচাই করে দেখেছি প্রদত্ত শূন্যপদের বিপরীতে ৪০ শতাংশ ও নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যা আমাদের সঙ্গে প্রহসন। এমনকি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত পরিপত্র ও মানা হয়নি। যেখানে জরুরি ভিত্তিতে ১০ শতাংশ রাজস্বখাতভুক্ত পূরণের কথা বলা হয়েছিল। ফলশ্রুতিতে, অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষকশূন্য অবস্থায় রয়ে গেছে এবং যথাযথ শিক্ষা প্রদানে ব্যাঘাত ঘটছে।

Advertisement

তিনি আরো বলেন, প্রথমধাপে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯.৩৩৭ জন ও চূড়ান্ত নিয়োগ পান ২ হাজার ৪৯৭ জন। চূড়ান্ত রেজানো ভাদের গড় অনুপাত ছিল ৩.৭৪ জন। দ্বিতীয় ধাপে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০ হাজার ৬৪৭ জন ও চূড়ান্ত নিয়োগ পান ৫ হাজার ৪৫৬ জন। চূড়ান্ত রেজাল্টে তাদের গড় অনুপাত ছিল ৩.৭৮ জন। তৃতীয় ধাপে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯৯ জন। এরই মধ্যে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ হাজার ৫৩১ জন। চূড়ান্ত রেজাল্টে আমাদের গড় অনুপাত ৭.০৭ জন। যা প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের তুলনায় ৩.২৯ অনুপাত বেশি, কিছু উপজেলায় আরো বেশি।

প্রধান উপদেষ্টা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে ফারজানা মনি বলেন, শূন্যপদ পূরণ ও লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ প্রার্থীদের থেকে ৩.১ অনুপাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক নিয়োগের মাধ্যমে আমাদেরকে যেন সেই সুযোগ প্রদান করা হয়। এতে অন্যদের মধ্যে ফল প্রত্যাশী জুবায়ের আহমেদ ও তানিয়া আহমেদ বক্তব্য দেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!