ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

[ শিক্ষা ]

ইবি অধ্যাপক ড. জুয়েলের জীবনে শিক্ষকতা ও সুরের অপূর্ব মেলবন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪৫, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
ইবি অধ্যাপক ড. জুয়েলের জীবনে শিক্ষকতা ও সুরের অপূর্ব মেলবন্ধন
সংগৃহীত ছবি

শ্রেণিকক্ষে যিনি ব্ল্যাকবোর্ডের জটিল সমীকরণ মেলান, তিনিই আবার সুরের মঞ্চে গিটারে তোলেন ঝংকার। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. খালিদ হোসাইন জুয়েল তাঁর জীবনকে সাজিয়েছেন শিক্ষকতা, গবেষণা ও ব্যান্ড সংগীতের এক অপূর্ব মেলবন্ধনে।

একাডেমিক পরিমণ্ডলে অত্যন্ত সফল এই শিক্ষকের রয়েছে অসামান্য মেধার স্বাক্ষর। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় তৃতীয় স্থান অর্জন করে ভর্তি হওয়া ড. জুয়েল স্নাতকে ফ্যাকাল্টি ফার্স্ট হয়ে পান সম্মানজনক 'প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক'। পরবর্তীতে চীনের ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে ৫জি মোবাইল কমিউনিকেশনে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁর ২৮টি গবেষণাপত্র রয়েছে।

তবে গবেষণাগারের বিজ্ঞানচর্চার পাশাপাশি শৈশব থেকেই ড. জুয়েলের ধমনীতে বইছিল সুরের ধারা। ২০১০ সালে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন ব্যান্ড ‘নীল’। ব্যান্ডটির প্রধান ভোকাল হিসেবে তিনি উপহার দিয়েছেন ‘অপরিচিতা মেয়ে’ ও ‘মাটির ঘর’-এর মতো জনপ্রিয় মৌলিক গান। দেশে এ পর্যন্ত দুই শতাধিক কনসার্টে পারফর্ম করার পাশাপাশি ২০১৬ সালে বের করেন একক অ্যালবাম ‘স্বপ্নচারী’। চীনে অবস্থানকালে আনহুই প্রদেশের একটি মিউজিক অডিশনে অংশ নিয়ে প্রথম রানারআপ হওয়ার কৃতিত্বও দেখান তিনি।

ড. জুয়েলের মতে, গান ও শিক্ষকতা একে অপরের প্রতিযোগী নয়, বরং পরিপূরক। মায়ের ইচ্ছা ও নিজের সুপ্ত স্বপ্নকে ধারণ করে মেধা, গবেষণা আর বাদ্যযন্ত্রকে সঙ্গী করে একই সঙ্গে একজন সফল অধ্যাপক, প্রথিতযশা গবেষক ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হিসেবে নিরন্তর এগিয়ে চলেছেন তিনি।

 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!