ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা গেছে, সোমবার মাঝরাতে প্রবল শ্বাসকষ্ট হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর লতা মঙ্গেশকরকে আইসিইউ-তে স্থানান্তরিত করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তার অবস্থা সঙ্কটজনক হলেও স্থিতিশীল রয়েছে।
হাসপাতালের একটি সূত্র সংবাদ মাধ্যমকে জানায়, বর্তমানে সিনিয়র মেডিক্যাল অ্যাডভাইসর ফারুখ ই উদওয়াড়িয়ার তত্ত্বাধানে আইসিইউ-তে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রয়েছেন তিনি। শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি লতা মঙ্গেশকরের নিউমোনিয়া এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যাও ধরা পড়েছে।
.png)
ভারতীয় সংগীতের এই জীবন্ত কিংবদন্তি ১৯২৯ সালে ভারতের ইন্দোরে জন্মেছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গীত ভারত ছাপিয়ে তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে বিশ্বসঙ্গীতের দরবারে।
১৯৪২ সালে লতা মঙ্গেশকর তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন মারাঠি গান গেয়ে। ১৯৪৬ সালে তিনি প্রথম হিন্দি সিনেমার জন্য গান করেন। বসন্ত জোগলেকরের ‘আপ কি সেবা মে’ ছবিতে ‘পা লাগু কার জোরি’গানটি গেয়েছিলেন।
সংগীতের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে সাত হাজার গান গেয়েছেন লতা।
লতা মঙ্গেশকর প্রায় ৩৬টি ভাষায় গান করেছেন। এর মধ্যে আছে বাংলাও। ‘প্রেম একবার এসেছিল নীরবে’, ‘আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন’, ‘ও মোর ময়না গো’, ‘ও পলাশ ও শিমুল’, ‘আকাশপ্রদীপ জ্বেলে’সহ আরো অনেক বিখ্যাত বাংলা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।
২০০১ সালে লতা মঙ্গেশকর ভারতের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ভারতরত্ন অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার লাভ করেন।