প্রায় সাত মাস আগে বিয়ে হয় আইরিনের। তার বরের নাম মেহেদী হাসান চৌধুরী। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে। ঈদ করতে এখন শ্বশুরবাড়িতেই আছেন আইরিন। সেখান থেকেই নিজের বিয়ের খবর জানান তিনি।
আইরিন বলেন, গত বছরের মে মাসে আমার বাবা ব্রেন স্ট্রোক করেন। তার আগে থেকে তিনিসহ পরিবারের সবাই চেয়েছিলেন যেন আমি বিয়ে করি। তারপর ৭ দিন হাসপাতালে ছিলেন বাবা। তখনও তিনি অনেকবার আমার বিয়ের কথা বলেছেন। পরে তো বাবা মারাই গেলেন। সে সময়ই সিদ্ধান্ত নেই ঐ বছরই বিয়ে করবো।
.png)
জানান, ঐ ঘটনার প্রায় দেড় বছর আগে থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বর মেহেদী হাসান চৌধুরীর সঙ্গে। অবশ্য পরিচয় তারও আগে থেকে। একটা কমন বন্ধু সার্কেলের মানুষ মেহেদী। সেখান থেকেই পরিচয়, প্রেম ও বিয়ে।
গত বছর ৪ ডিসেম্বর বিয়ে করেছেন দুজন। পারিবারিকভাবেই হয়েছে আয়োজন। তবে আরো বড় পরিসরে বউভাত করার পরিকল্পনা রয়েছে দুজনরেই। তিনি বলেন, আমার শ্বশুর-শাশুড়ি কেউ বেঁচে নেই। ওর বড় ভাইয়েরাও দেশের বাইরে থাকেন। সবাই একসঙ্গে হলে বড় আয়োজনের একটা পরিকল্পনা রয়েছে।
বিয়ের পর নিজের অনুভূতি প্রসঙ্গে আইরিন বলেন, আমার হাজবেন্ড খুব সাপোর্টিভ। ওকে নিয়ে আমাদের ছোট্ট একটা সংসার। সব কিছুই খুব সুন্দরভাবে শুরু হয়েছে। আমি নিজেও পারিবারিক মানুষ। তাই সবার আগে আমার পরিবার।
বিয়ের পরও কাজ করে যেতে চান আইরিন। এখনো কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।
২০১৪ সালের দিকে টিভিসির মাধ্যমে বিনোদন মাধ্যমে পা রাখেন আইরিন আফরোজ। তারপর অভিনয় করেছেন অসংখ্যা ধারাবাহিক ও একক নাটকে। উল্লেখযোগ্য ধারাবাহিক নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘কলিং বেল’, ‘বকুলপুর’, ‘শারীরিক শিক্ষা’, ‘চার চক্কর’, ‘রঙের মানুষ ঢংয়ের খেলা’। একক নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘চোরে চোরে প্রেম’, ‘চুল পাকা’, ‘ছোট দেবর’, ‘অভাব’, ‘প্রেমপত্র’, ‘গ্যাঁড়াকল’, ‘বাবু’, ‘সাবলেট গুবলেট’, ‘তিন শব্দের মেসেজ’সহ বেশ কিছু নাটক।