ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ স্বাস্থ্যকথা ]

নিজেকে চাপমুক্ত রাখার ৫ উপায় 

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৫৬, ২৯ আগস্ট ২০২৪
নিজেকে চাপমুক্ত রাখার ৫ উপায় 
ফাইল ছবি

মানসিক চাপ, পরিবার বা কর্মক্ষেত্রের সমস্যা, সম্পর্কে অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট, খারাপ স্বাস্থ্য, এমনকি ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু- এসব বিভিন্ন কারণে আমরা মানসিক চাপের মধ্যে থাকি। তার জেরে কখনো কখনো শুধু ক্লান্ত নয়, মানসিক ভাবেও বিধ্বস্ত মনে হয়। কোনো কিছুই ভালো লাগে না। এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন কমবেশি সকলেই হন। এমনটা হলে, নিজেকে ভালো রাখার দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। কীভাবে ভালো থাকবেন?

১. প্রথমেই জানা প্রয়োজন কারণটা কী? অফিসের সমস্যা না ব্যক্তিগত! সেই সমস্যার সমাধান কীভাবে সম্ভব, ভাবতে হবে। অনেক সময় এমন অনেক কিছু থাকে যার চটজলদি সমাধান হয়তো নেই। সেক্ষেত্রে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায় কি না, ভাবা দরকার। পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই মন ভালো করার উপায় খুঁজলে কিছুটা হলেও ভালো থাকা যেতে পারে।

২. অনেকের জীবনে অতিরিক্ত ভাবনা, অন্যের কথা গায়ে মাখাও এই ধরনের সমস্যার কারণ হতে পারে। সেক্ষেত্রে বেশি ভাবনাচিন্তা এড়ানোর ভালো উপায় পছন্দের কাজে ব্যস্ত থাকা। পছন্দের কোনো রান্না করা, গান শোনা, বই দেখা এমন অনেকে কিছুতে নিজেকে যুক্ত রাখলে খারাপ ভাবনাগুলি মাথাচাড়া দিতে পারবে না। আর যদি কারো কথায় খারাপ লাগে, সেটা প্রাথমিক ভাবে পাত্তা না দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। অন্যের কথা গায়ে না মাখাটাও অভ্যাসে পরিণত করা যায়।

৩. মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত মনে হলে কাজ থেকে ছুটি নেওয়া যায় কি না, দেখতে পারেন। কয়েকটা দিন বাইরে ঘুরে এলেও চাপ, ক্লান্তি, মন খারাপের সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। বাড়তি ছুটি নেওয়া সম্ভব না হলে, ছুটির দিনটা সঠিক ভাবে পরিকল্পনা করে উপভোগ্য করে তুলতে পারেন।

৪. মনের কথা কারো কাছে খুলে বললেও কষ্ট, খারাপ লাগা কমতে পারে। জীবনে কোনো সমস্যা হলে, তার সমাধান জানা না থাকলে বিশ্বাসযোগ্য কারো কাছে সে কথা বলতে পারেন। পরামর্শ চাইতে পারেন।

৫. মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত থাকলে শরীরচর্চা বা খাওয়ার দিকে মন যায় না। কিন্তু মনকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে একটু জোর খাটাতেই হবে। সকালে উঠে প্রাণায়াম করলে তার ইতিবাচক প্রভাব শরীর ও মনকে শান্ত করে তুলবে। তবে এক দিনে ফল মেলে না। অন্তত মাস খানেক অভ্যাসে তা বোঝা যেতে পারে। সঙ্গে দরকার স্বাস্থ্যকর খাওয়া আর পর্যাপ্ত ঘুম। ঘুম কিন্তু জাদুকাঠির মতোই।

এই কৌশলগুলিতে কাজ না হলে এই বিষয়ে মনোবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডেইলি-বাংলাদেশ/টিএএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!