কিউআর কোড স্ক্যান করার জন্য অনেক স্মার্টফোনেই আরেকটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হতো। কিন্তু আধুনিক ডিভাইসগুলোয় কিউআর কোড স্ক্যানের জন্য বিশেষ ফিচার থাকার কারণে এই অ্যাপটি অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। ফলে ফোনগুলোয় এখন আর এই অ্যাপ দেখা যায় না।
ফ্লাশলাইট অ্যাপগুলো এ ধরনেরই। একসময় এটি ব্যবহার করতে অ্যাপ স্টোর থেকে একটি তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ প্রয়োজন হতো। কিন্তু এখন আইফোন এবং অ্যানড্রয়েডে থাকা একটি ফিচরাই এ কাজ করে দিচ্ছে। এখন আর ফ্লাশলাইট অ্যাপ অথবা কিউআর কোড স্ক্যানারের প্রয়োজন হয় না।
.png)
কিউআর কোডে অনেককিছুই থাকতে পারে। এটি খুব সাধারণ ইউআরএল, সাদামাটা কোনো টেক্সট, একটি কন্টাক্ট কার্ড, পিডিএফ, ই-মেইল, ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের বিস্তারিত ও ফোন নম্বরও থাকতে পারে। এই কোডগুলো দিয়ে অনেক কিছুই করা যেতে পারে; আর এ কারণেই স্ক্যান করার নিয়ম জানতে হবে।
আইফোনের ক্যামেরা অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিউআর কোড স্ক্যান করতে পারে। ব্যাপারটি ছবি উঠানোর মতোই সহজ। কন্ট্রোল সেন্টারে কিউআর কোড স্ক্যানারের একটি শর্টকাটও তৈরি করে নেয়া যায়।
অ্যানড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একইরকম। স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোন ক্যামেরা অ্যাপের মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যান করতে পারে। তবে যদি কোন কারণে কাজটি না করা যায় তাহলে কুইক সেটিংস প্যানেলে একটি শর্টকাট যোগ করা যায়।
অপ্রয়োজনীয় হওয়ার পাশাপাশি ফ্ল্যাশলাইট অ্যাপসের মতো কিউআর কোড স্ক্যানার অ্যাপ নিয়েও নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা বিষয়ক উদ্বেগ রয়েছে। অনেক সময়ই কিউআর কোড স্ক্যানারের জন্য প্রয়োজনীয় নয় এমন কাজও করে থাকে; যা মূলত ম্যালওয়্যারগুলো লুকানোর একটি কৌশলমাত্র।