দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সিইও কাউন্সিলে সামিটে এরিক বলেন, এআই মানবসমাজের অস্তিত্বের পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ। এতে ‘অনেক মানুষের ক্ষতি বা মৃত্যুর’ সম্ভাবনাও রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
গুগলের সাবেক সিইও বলেন, এআই ‘জিরো-ডে এক্সপ্লয়েটস’ বের করতে বা ‘জীববিজ্ঞানের নতুন ফর্ম’ আবিষ্কার করতে সহায়তা করতে পারে। তিনি মনে করিয়ে দেন, আজ এগুলো শুনে অলীক কল্পকাহিনি মনে হতেই পারে। তবে সময়ের সঙ্গে এই এই যুক্তিই সত্যে পরিণত হতে পারে। যখন এটি ঘটবে, সেই সময়ে যাতে এটি খারাপ মানুষের হাতে পড়ে তারা অপব্যবহার না করেন, তা নিশ্চিত করার জন্য এখন থেকে প্রস্তুত হওয়া প্রয়োজন।
.png)
কিন্তু ঠিক কীভাবে সাবধান হওয়া যাবে? তিনি স্বীকারই করে নেন, আপাতত এআই সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণের কোনো উপায় তার জানা নেই। তবে এটি সমাজের কাছে একটি বড়সড় চিন্তার বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ নিয়ে নিয়ন্ত্রক নীতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনপ্রণেতারা এরই মধ্যে ইউরোপ ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আইনে’র প্রাথমিক চুক্তি করেছেন। এর মাধ্যমে আগামীদিনে এআই সিস্টেমের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
চলতি বছরের মার্চে ইলন মাস্কসহ এক হাজারেরও বেশি বিশিষ্ট প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। তাতে নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা চালু না হওয়া পর্যন্ত আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স মডেলের ট্রেনিংয়ে ছয় মাসের বিরতির আহ্বান জানানো হয়েছিল।