জান গেছে, সাক্ষাৎকারের একটি অংশে বাইডেনের কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি পুতিনকে খুনি মনে করেন কিনা। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি মনে করি।
সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রে ২০২০ সালের ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জেতাতে রাশিয়ার মধ্যস্থতার চেষ্টা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা প্রতিবেদন নিয়েও কথা বলেন বাইডেন।
.png)
নির্বাচনে রাশিয়ার মধ্যস্থতা নিশ্চিত হওয়া গেলে পুতিনকে মূল্য দিতে হবে বলে সাক্ষাৎকারগ্রহীতা জর্জ স্টিফেনোপৌলোসকে জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।
তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে (পুতিন ও বাইডেন) দীর্ঘ আলাপ হয়েছে; আমাদের দুইজনের মধ্যে তাকে (পুতিন) অপেক্ষাকৃত ভালো চিনি এবং এ আলাপটি শুরু হয়েছিল আমার একটি বক্তব্য দিয়ে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে খুনি বলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে দেশে ডেকে পাঠিয়েছে মস্কো।
মস্কো এবং ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্কের ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করার জন্য রাষ্ট্রদূত আনাতোলি অ্যান্টোনোভকে দেশে ডেকে পাঠানো হয়েছে। বুধবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে মৃত্যুর মুখে নিয়ে গেছে ওয়াশিংটন। এ অবস্থা থেকে সম্পর্কের উত্তরণ ঘটানোর উপায় নিয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঠেকাতে রাশিয়া আগ্রহী রয়েছে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। গত মঙ্গলবার আমেরিকার পক্ষ থেকে একটি গোপন রিপোর্ট প্রকাশ করার পর এই টানাপোড়েন আরো বেড়েছে। গোপন রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়া মার্কিন এই রিপোর্টকে ভিত্তিহীন বলে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।