জানা গেছে, ভোর বেলা আতঙ্কে লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে পড়ে। গভীর কম্পনের চেয়ে অগভীর ভূমিকম্প বেশি ক্ষতি করে, তবে ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অব ভলকানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজি বলেছে যে ক্ষয়ক্ষতি প্রত্যাশিত ছিল না।
আরো পড়ুন: মারিউপোলে রুশ হামলা, নিহত প্রায় ২২০০
.png)
লুজনের দ্বীপ অক্সিডেন্টাল মিন্ডোরোর লুবাং শহরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ প্রধান লেফটেন্যান্ট অ্যারিস্টটল ক্যালায়াগ বলেন, ভূমিকম্পটি শক্তিশালী এবং আঘাত হানার সময় মনে হয়েছে শহরটি যেন নাচছে। স্থানীয়রা এ ধরনের ভূমিকম্পে অভ্যস্ত তাই তারা তাড়াহুড়ো করে ছুটোছুটি বা আতঙ্কিত হয় না।
মরং পুলিশ প্রধান ক্যাপ্টেন মিশেল গাজিওলা এএফপিকে বলেছেন, ভূমিকম্পটি একটু শক্তিশালী তবে এটি অল্প সময় স্থায়ী ছিল। আমরা ঠিক আছি এবং অধিকাংশ মানুষ এখনও ঘুমিয়ে আছে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ এর অবস্থানের কারণে ফিলিপাইন নিয়মিতভাবে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। এখানে তীব্র ভূমিকম্পের চাপ জাপান থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অববাহিকা জুড়ে বিস্তৃত।