গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণাঞ্চলের প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় বাহিনীর ব্যাপক প্রতিরোধে পড়া রুশ বাহিনী দখলে নেয়া বেশ কয়েকটি শহরের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। অবরুদ্ধ শহরগুলোতে আটকে রয়েছে হাজার হাজার বেসামরিক।
হোয়াইট হাউজের যোগাযোগ পরিচালক কেট বেডিংফিল্ড বলেন, আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে রাশিয়ান সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বিভ্রান্ত হচ্ছেন পুতিন, এতে পুতিন এবং তার সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।
.png)
এক সংবাদ সম্মেলনে বেডিংফিল্ড বলেন, আমরা বিশ্বাস করি রাশিয়ার সেনাবাহিনীর দুর্বলতা এবং নিষেধাজ্ঞায় রুশ অর্থনীতির ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উপদেষ্টারা পুতিনকে ভুল তথ্য দিচ্ছেন। কারণ তার সিনিয়র উপদেষ্টারাও তাকে সত্য বলতে ভয় পাচ্ছেন।
তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার কৌশলগত ভুল ধরিয়ে দিতে এসব তথ্য সামনে আনছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন বক্তব্য নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ক্রেমলিন। ওয়াশিংটনের রুশ দূতাবাসও মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
ইউরোপের এক সিনিয়র কূটনীতিক বলেন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমানের সঙ্গে ইউরোপিয়ানদের চিন্তার মিল রয়েছে। তিনি বলেন, পুতিন ভাবছেন সবকিছু ঠিকঠাক মতো চলছে। এটাই হচ্ছে ‘ইয়েস মেন’ পরিবেষ্টিত হয়ে থাকার সমস্যা।
দুই ইউরোপীয় কূটনীতিক বলেন, রাশিয়ার নিয়োগ করা সেনাদের বলা হয়েছিল তারা সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে কিন্তু আগ্রাসনের আগে তাদের একটি নথিতে সই করতে হয়েছে যাতে বলা হয়েছে তাদের দায়িত্বের মেয়াদ বেড়েছে।
সূত্র: রয়টার্স