শুক্রবার (২৭ মে) টেক্সাসের জননিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক কর্নেল স্টিভেন ম্যাক্রো এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে উপস্থিত কমান্ডারদের শ্রেণিকক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা না করে বাইরে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত পুলিশ বাহিনীর জন্য অপেক্ষা করে থাকাটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।’
গত মঙ্গলবারের ওই হামলায় ১৯ শিশু ও ২ শিক্ষক নিহত হয়। একটি শ্রেণিকক্ষে তাদের এক ঘণ্টা আটকে রেখে এ হত্যা চালানো হয়।
.png)
পুলিশ কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরও দীর্ঘ সময় ধরে শ্রেণিকক্ষে ঢোকার চেষ্টা করেনি। ভেতরে আততায়ী থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্সের জন্য বাইরে অপেক্ষা করছিলেন তারা।
অথচ এই সময়ের মধ্যে শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার্থী এবং অন্যান্যরা পুলিশের সাহায্য চেয়ে ৯১১ নাম্বারে ফোন করেছিল। পুলিশ সেই ডাকে সাড়া দিয়ে দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
আরো পড়ুন>> ইউক্রেনে সহায়তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত স্কুলের নিরাপত্তা বাড়ানো: ট্রাম্প
ম্যাক্রো বলেন, “কেউ একজন ৯১১ নাম্বারে কয়েকবার ফোন করেছিল। সেই ফোনকলে কয়েকজন শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার কথা জানানোর পাশাপাশি ৮ থেকে ৯ জন জীবিত আছে বলেও জানানো হয়েছিল। এক শিক্ষার্থী ১২:৪৭ মিনিটের দিকে ফোন করে তৎক্ষণাৎ পুলিশ পাঠাতে অপারেটরকে অনুরোধ করে। কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তারা ১২: ৫০ পর্যন্তও শ্রেণিকক্ষে ঢোকেননি। পরে মার্কিন সীমান্ত প্রহরা টীমের সদস্যরা একটি চাবি ব্যবহার করে শ্রেণিকক্ষের দরজা খোলে এবং ভেতরে ঢুকে রামোসকে হত্যা করে।”
তিনি আরো বলেন, ‘স্কুলে যখন একজন সক্রিয় আততায়ী থাকে, তখন আর কোনো নিয়ম খাটানো উচিত নয়। তাই যত দ্রুত সম্ভব ভেতরে ঢুকে পড়া উচিত ছিল পুলিশের।’
হামলার ঘটনায় আইন প্রয়োগকারীদের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছ থেকে সমালোচনা ও প্রশ্নের মুখে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ভুল স্বীকার করল।
সূত্র: বিবিসি