রয়টার্সের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।
সম্প্রতি হামলার ঘটনাগুলো গত সপ্তাহে রাশিয়ার সংযুক্ত ক্রিমিয়ার বিমান ঘাঁটিতে বিস্ফোরণের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে হচ্ছে।
.png)
পশ্চিমাদেশগুলো কর্মকর্তা বলছেন, ইউক্রেনের হামলার ঘটনা কৃষ্ণসাগরে রাশিয়া নৌ পর্যবেক্ষণের শক্তির অর্ধেক কমিয়ে দিয়েছে।
ক্রিমিয়ার স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে রাশিয়ার রিয়া ও সংবাদ সংস্থা তাস জানায়, শুক্রবার রাতে পশ্চিম ক্রিমিয়ার ইয়েভপাটোরিয়ার বন্দরের কাছে রাশিয়ার বিমান বিধ্বংসী বাহিনী কাজ করছিল।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি মিসাইল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। তবে রয়টার্স ভিডিওটির তাৎক্ষণিক সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
স্থানীয় কর্মকর্তার বরাতে তাস জানায়, খেরসান নগরের পশ্চিমের নোভা কাকোভকা শহরে হামলা করতে আসা ইউক্রেনের ছয় ড্রোনকে বিধ্বস্ত করেছে রাশিয়ার বিমান বিধ্বংসী বাহিনী।
ইউক্রেন বলছে, এখন খেরসান পুনর্দখল করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আবার ক্রিমিয়ার এক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের এখানে প্রতিরক্ষা দুর্বল হয়ে পড়েছে। অসংখ্যা ড্রোনকে সেভাসটপোলের ওপর ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে।
রুশ বাহিনীর হাতে আটক খেরসানের আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য সেরিই খ্যাল বলেন, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী রাশিয়ানদের সঙ্গে ম্যাজিক সন্ধ্যার মতো আচরণ করছে।
এদিকে, রাশিয়ার বেলগরদ প্রদেশে গোলাবারুদের আস্তানায় বিস্ফোরণের পর দুটি গ্রাম থেকে মানুষদের সরানো হয়েছে। ঐ এলাকা থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে ইউক্রেন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।