অভিযোগ আসার পর স্যার বেন কে বলেন, এসব ‘ঘৃণ্য’ অভিযোগ নিয়ে গভীরভাবে বিরক্ত। রয়্যাল নেভিতে এ ধরণের আচরণের কোনো স্থান নেই। যে কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে শাস্তি পেতে হবে।
সাবমেরিনে কাজ করা একাধিক নারী বৃটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলকে জানান, দায়িত্ব পালনের সময় ‘দুর্ব্যবহারের’ সম্মুখীন হন তারা।
.png)
এক নারী কর্মী ডেইলি মেইলকে বলেন, ঘুমানোর সময় তাকে যৌন নিপীড়ন করেন উচ্চ পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা। তিনি দাবি করেন, ঐ অফিসার তার কিডনিতে ঘুষি মেরেছেন।
তিনি আরো বলেন, অন্য একজন কর্মকর্তা তার শয়নকক্ষে মডেলদের নগ্ন ছবি রাখেন। তিনি ৫০ সেন্টের বিনিময়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপনেরওি প্রস্তাব দেন।
অন্য বেশ কয়েকজন নারী জানান, প্রায়ই যৌন কাজ করতে বলা হতো তাদের। প্রায়ই তাদের ক্লিপবোর্ড ও কলম দিয়ে আঘাত করা হতো।
ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১১ সালে নারী নিয়োগের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সাবমেরিনে নারীদের যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটছে। ২০১৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর সাবমেরিন সার্ভিসে মাত্র এক শতাংশ নারী কর্মী কাজ করছেন।