ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

বিচার ছাড়াই ১৮ বছর গুয়ানতানামো বে কারাগারে বন্দি, অবশেষে মুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২:১৬, ২৯ অক্টোবর ২০২২
বিচার ছাড়াই ১৮ বছর গুয়ানতানামো বে কারাগারে বন্দি, অবশেষে মুক্তি
সাইফুল্লাহ পরচা - ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত কুখ্যাত গুয়ানতানামো বে বন্দিশিবিরে কমপক্ষে ১৮টি বছর কেটে গেছে সাইফুল্লাহ পরাচার। সব মিলে এ সময় ৬২০৫ দিন। যা ঘন্টার হিসেবে ১৪৮৯২০ ঘন্টা। মিনিটের হিসেবে ৮৯ লাখ ৩৫ হাজার ২০০ মিনিট। আর সেকেন্ডের হিসেবে ৫৩ কোটি ৬১ লাখ ১২ হাজার সেকেন্ড। জীবন থেকে এতগুলো সময় কেড়ে নেয়া হয়েছে পাকিস্তানি নাগরিক সাইফুল্লাহ পরাচার। তিনি ছিলেন গুয়ানতানামোতে বন্দি নম্বর ১০৯৪। কোনো অপরাধ না করেও তাকে সেখানে নিষ্ঠুরতার শিকার হতে হয়েছে। অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) সাইফুল্লাহ পাকিস্তান পৌঁছেছেন বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

৭৫ বছর বয়সী সাইফুল্লাহ পরচা গুয়ানতানামো বে কারাগারে সবচেয়ে বয়স্ক বন্দি ছিলেন। আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক থাকার সন্দেহে তাকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু কখনো অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়নি। গত বছরের মে মাসে তার মুক্তি অনুমোদিত হয়।

Advertisement

মন্ত্রণালয় জানায়, আমরা আনন্দিত যে বিদেশে আটক একজন পাকিস্তানি নাগরিক অবশেষে তার পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হয়েছে।

পাকিস্তানের একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন সাইফুল্লাহ পরচা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতেন। নিউইর্য়কে তার প্রোপার্টি ছিল।

আরো পড়ুন>> বিনা দোষে ৩৮ বছর জেলে, অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় মিললো মুক্তি!

যুক্তরাষ্ট্র ২০০৩ সালে থাইল্যান্ড থেকে পরচাকে বন্দি করে এবং ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তাকে গুয়ানতানামোতে আটক করে রাখা হয়।

‘নাইন-ইলেভেন’ হামলার পর দুই দশক আগে ২০০২ সালের ১১ জানুয়ারি কিউবায় কারাগারটি চালু করে যুক্তরাষ্ট্র। কথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’র নামে তৎকালীন মার্কিন প্রশাসন বিভিন্ন দেশে যে সামরিক অভিযান শুরু করে, সেখানে গ্রেফতার লোকদের এই কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়।

মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা বলেন, কোনো ধরনের প্রচলিত আইন-বিচারের মুখোমুখি না করেই বিদেশি ‘যুদ্ধবন্দিদের’ এই কুখ্যাত কারাগারে বছরের পর বছর রেখে দেয় মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!