ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

চীনে করোনার ভয়াবহ রূপ রোধে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:৫১, ২৯ নভেম্বর ২০২২
চীনে করোনার ভয়াবহ রূপ রোধে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

সাংহাই ডিসনে রিসোর্টসহ চীনের সাংহাই শহরের সব পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে চীন কর্তৃপক্ষ। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদুলো এজেন্সি জানায়, করোনার কারণে দীর্ঘ বন্ধ থাকার পর ২৫ নভেম্বর সাংহাই ডিসনে রিসোর্ট খোলা হয়েছিল। কিন্তু করোনা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থার কারণে চারদিন পর আবার সেটি বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

চীনের কেন্দ্রীয় উপকূলে অবস্থিত সাংহাই শহরটি দেশটির সবচেড়ে বড় অর্থনৈতিক কেন্দ্র। সেখানে সপ্তাহজুড়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চীনের ‘জিরো কোভিড’ নীতির বিরুদ্ধে বিশাল বিক্ষোভ হয়। ঐ বিক্ষোভে অংশ নিতে মাঝরাতে মধ্য উরমি রোডে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীদের আটকাতে পুলিশ পেপার স্প্রে ব্যবহার করেছে।

Advertisement

গত ২৪ নভেম্বর জিনজিয়াংয়ের রাজধানী উরমিতে বহুতল ভবনে মৃতদের শান্তি’ কামনায় বিক্ষোভকারীরা ফুল, মোমবাতি ও প্লেকার্ড বহন করেন।

ঐ আগুনের ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু ও নয়জন দগ্ধ হন। ঐ আগুন লাগা ভবন লকডাউন এলাকায় অবস্থিত ছিল। অনেকের দাবি, কঠোর করোনার বিধি-নিষেধ থাকায় বহুতল ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঐ ভবনের আগুন নেভাতে তিন ঘণ্টা লেগেছে। লকডাউনের জন্যই এত মানুষ মারা যান।

তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, আগুন ধরা ভবনে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছিল এবং ভবনটির বাসিন্দাদের বাইরে বের হওয়া উন্মুক্ত ছিল।

শনিবার সকালে হঠাৎ গভীর রাতে স্থানীয়দের আন্দোলন শুরুর পর উরুমকির কিছু জেলা থেকে বিধি-নিষেধ তুলে নেয় জিনজিয়াংয়ের কর্তৃপক্ষ। এরপর সপ্তাহজুড়ে চলা বিক্ষোভের সময় ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকা সাংহাইয়ের কিছু এলাকা খুলে দেওয়া হয়।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, করোনা প্রতিরোধে বিধি-নিষেধ কঠোর করছে স্থানীয় সরকার। তারা কাউকে রেস্টুরেন্ট বা অন্য কোনো বাণিজ্যিক স্থানে প্রবেশ করতে ৪৮ ঘণ্টার আগের করোনা নেগেটিভ সনদ দেখানো বাধ্যতামূল করেছে।

এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের শহর ছেড়ে যেতে বাধা প্রদান করছে কর্তৃপক্ষ এবং যারা সাংহাইয়ের ফেরা লোকেরা চারদিনের ভেতরে জনসম্মুখে বা শপিংমল ও বাণিজ্যিক স্থানে যেতে পারবেন না।

চীনে ১৪০ কোটি জনসংখ্যা রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত তিন লাখ ১১ হাজার ৬২৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন পাঁচ হাজার ২৩৩ জন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকেএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!