কিডনি গ্রহণকারী প্যাটি রোজার্স হ্যারিসের বয়স এখন ৬৮ বছর। আর তার বড় বোন ক্যারোলিন রোজার্সের বয়স ৭২ বছর।
বড় বোন বলেন, যখন তিনি তার ছোট বোনকে কিডনি দান করেন তখন তিনি খুবই উচ্ছ্বাসিত ছিলেন। কারণ কাউকে দেহের কিছু দান করে তার জীবন বাঁচানো সত্যিই অসাধারণ।
.png)
যখন হ্যারিসের বয়স ৪ বছর তখন সে কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত হয়। একপর্যায়ে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
এ বিষয়ে হ্যারি বলেন, ঐ বয়সে অসুস্থতা কী সে সম্পর্কে আমারে তেমন ধারণা ছিল না। তবে আমার এটা মনে আছে, দিন দিন আমার শক্তি কমে যাচ্ছিল এবং আমি পাশে বসে ভাইবোনদের খেলা দেখতাম।
এভাবে দীর্ঘ সময় চলতে থাকে। যখন হ্যারির বয়স ১৬ বছর তখন তাকে স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তার জানায় তার কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে এবং ডায়ালাইসিস করতে হবে।
এভাবে তার এক বছর কেটে যায়। পরবর্তীতে ডাক্তার জানায়, যদি তার পরিবারের সঙ্গে কারো কিডনির মিল থাকে তাহলে তার দেহে কিডনি প্রতিস্থাপন করা যাবে। এরপর অনেকের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। শেষ পর্যন্ত তার বড় বোনের সঙ্গে মিল পাওয়া যায়।
রোজার্স বলেন, তিনি তার বোনকে একটি কিডনি দিতে তার সংকল্পে অটল ছিলেন এবং হ্যারিস সেই দৃঢ়তার কথা মনে রেখেছেন।
৫০ বছর আগে শরীরের অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা খুবই জটিল ছিল। শেষ পর্যন্ত ডাক্তার তাদের কিনডি প্রতিস্থাপনে সক্ষম হন। ১৯৭২ সালে তাদের কিনডি প্রতিস্থাপন করা হয়।