জীবাশ্মগুলি আর্জেন্টিনা সীমান্তের কাছে দক্ষিণ চিলির লাস চিনাস উপত্যকার সেরো গুইদোতে পাওয়া গিয়েছিল। ২০২১ সালে সেগুলি পরীক্ষাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ পরীক্ষানিরীক্ষার পরে গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন যে, এই জীবাশ্মগুলি অবলুপ্ত ডাইনোসরের চার প্রজাতির।
বিজ্ঞানীরা এও জানিয়েছেন, যে চার প্রজাতির ডাইনোসরের জীবাশ্ম আবিষ্কার হয়েছে, তা চিলিতে দেখতে পাওয়ার কথা নয়।
.png)
এই বিষয়ে চিলির অ্যান্টার্কটিক ইনস্টিটিউট (ইনাচ) এর ডিরেক্টর মার্সেলো লেপে জানিয়েছেন, মেগার্যাপ্টর-সহ চার প্রজাতির ডাইনোসরের দাঁত এবং পোস্টক্র্যানিয়াল হাড়ের টুকরোর জীবাশ্ম ওই উপত্যকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। এই ডাউনোসরগুলি থেরোপড গণের অন্তর্গত বলেও তিনি জানিয়েছেন।
আরো পড়ুন>> মনোবিদ সেজে রোগীদের ঠকিয়ে কোটি কোটি অর্থ আত্মসাৎ! ২০ বছর পর ধরা
তিনি বলেন, ‘‘লাস চিনাস উপত্যকায় এই জীবাশ্মের আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে চিলির এই উপত্যকায় আগেও অনেক জীবাশ্মের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।’’
ইনাচ-এর এই অভিযানে চিলি বিশ্ববিদ্যালয় এবং টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা করেছিল বলেও জানিয়েছেন মার্সেলো।
প্রসঙ্গত, মেগার্যাপ্টর প্রজাতির ডাইনোসররা মাংসাশী ছিল। মাংস ছেঁড়ার জন্য তাদের ধারালো নখ ছিল। প্রায় ৬৬০ থেকে ৭৫০ লক্ষ বছর আগে, অর্থাৎ ক্রিটেসিয়াস যুগে এই ডাইসোররদের অস্তিত্ব ছিল বলে মনে করা হয়।
সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার