সংস্থাটির দাবি, উত্তর কোরিয়ার হ্যাকিং গ্রুপ লাজারুস এবং এপিটি৩৮ এই সাইবার হামলা চালিয়ে অর্থ আত্মসাতের নেপথ্যে রয়েছে। তবে এমন অভিযোগকে পুরোপুরি অস্বীকার করেছে কিম জং উন প্রশাসন।
সোমবার (২৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এফবিআই জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা জানুয়ারির শুরুতে প্রাইভেসি প্রটোকল রেলগান ব্যবহার করে ৬০ মিলিয়ন ডলার মূল্যমানের ইথিরিয়াম সরিয়ে নিয়েছে। যেগুলো ওই সময় চুরি করা হয়েছে। এরপর এই ইথিরিয়ামের একটি অংশ বেশ কয়েকটি ভার্চ্যুয়াল অ্যাসেট সরবরাহকারীদের পাঠানো হয় এবং এগুলো দিয়ে বিটকয়েন তৈরি করা হয়েছে।
.png)
মার্কিন সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা ভার্চ্যুয়াল অ্যাসেট সরবরাহকারীদের সহায়তায় চোরাইকৃত কিছু ইথিরিয়াম জব্দ করতে সমর্থ হয়েছে।
আরো পড়ুন>> এফবিআই-এর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা কে এই ‘ক্রিপ্টোকুইন’
এফবিআই জানিয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি ঠেকাতে কাজ করে যাবে তারা, যেগুলো উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে কাজে লাগাচ্ছে।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা ২০২২ সালের ডিসেম্বরে জানায়, উ. কোরিয়ার হ্যাকাররা গত পাঁচ বছরে তাদের ১.২ বিলিয়ন ডলারের (১.৫ ট্রিলিয়ন কোরিয়ান উয়ান) ভার্চ্যুয়াল অ্যাসেট চুরি করেছে। এরমধ্যে শুধু ২০২২ সালেই ৮০০ বিলিয়ন উয়ান সমমূল্যের অ্যাসেট হাতিয়ে নিয়েছে তারা।
বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন উত্তর কোরিয়ার সরকারি কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কাছে কোনো তথ্য দেয় না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মের ১০০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির অভিযোগটিকে ভুয়া বলে অভিহিত করেছে দেশটি।
সূত্র: সিএনএন