মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম এনকে নিউজ জানায়, সরকারি এক নির্দেশনা জারি করে এই লকডাউন দেয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার (২৯ জানুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত লকডাউন দেয়া হয়েছে।
এ ছাড়া প্রতিদিন একাধিকবার শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে। নির্দেশনায় সরাসরি কোভিডের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
.png)
এদিকে এনকে নিউজ জানিয়েছে, লকডাউন ঘোষণার কারণে পিয়ংইয়ংয়ে প্রচুর খাবার কিনে মজুত করার তথ্য পাওয়া গেছে।
আরো পড়ুন>> খসে পড়ছে লন্ডনের আয়তনের সমান বরফখণ্ড, উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা
২০২০ সালের মার্চে বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি শুরু হলেও উত্তর কোরিয়া গত বছর নিজেদের প্রথম করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কথা স্বীকার করে। কিন্তু আগস্টের মধ্যেই দেশটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে বিজয় দাবি করে।
তথ্য কেবলই লুকোতে বা গোপন করতে চায় এমন দেশ হিসেবে পরিচিত উত্তর কোরিয়া কখনোই নিশ্চিত করেনি যে সেখানে ঠিক কতজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কারণ পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে স্পষ্টতই ব্যাপকভাবে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ পরীক্ষা চালানোর কোনও ব্যবস্থাই নেই।
এর পরিবর্তে কোভিড প্রাদুর্ভাবের সময় উত্তর কোরিয়া জ্বরে আক্রান্ত রোগীর দৈনিক সংখ্যা প্রকাশ করেছিল। কিন্তু গত বছরের ২৯ জুলাই থেকে এ ধরনের জ্বর সংক্রমণের কোনও তথ্যই জানানো হয়নি।
আরো পড়ুন>> যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারিয়ে চরম বিপাকে হাজার হাজার ভারতীয় কর্মী
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় মিডিয়া ফ্লু-সহ শ্বাসযন্ত্রের রোগগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য মহামারি বিরোধী নানা পদক্ষেপের বিষয়ে রিপোর্ট করা অব্যাহত রাখলেও লকডাউন আরোপের বিষয়ে এখনও কোনও রিপোর্ট প্রকাশ করেনি।
মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম দ্য কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) বলেছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তবর্তী কায়েসোং শহরে প্রচারণা জোরদার করা হয়েছে ‘যাতে শ্রমজীবী সকল মানুষ তাদের পেশায় এবং জীবনে স্বেচ্ছায় মহামারি-বিরোধী নিয়মগুলো মেনে চলেন।’