মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো রাখা হয়েছে পেশোয়ার হাসপাতালে। এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
.png)
পেশোয়ার হাসপাতালের মুখপাত্র মোহাম্মদ আসিম খান অন্তত ৯৩ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আরো মরদেহ আসছে।’
আরো পড়ুন>> ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় নিজের বিয়েতে যেতে পারলেন না কনে, ক্ষতি ৭৫ লাখ!
উদ্ধারকারী সংগঠন ১১২২ এর মুখপাত্র আহমেদ ফাইজি সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে বলেছেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) আমরা ধসে পড়া ছাদের শেষ অংশটি সরানোর চেষ্টা করব যেন আরো দেহ উদ্ধার করতে পারি। ধ্বংসস্তুপের নিচে কাউকে জীবিত পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।’
সোমবার ওই মসজিদটিতে যোহরের নামাজ শুরু হওয়া মাত্রই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সদস্যরা সেখানে নামাজ আদায় করতেন। মূলত পুলিশকে লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে।
হামলায় নিহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ২০ জনকে মঙ্গলবার একসঙ্গে পাকিস্তানের পতাকা মোড়ানো কফিনে সমাহিত করা হয়েছে।
আরো পড়ুন>> বিয়ে ছাড়াই সন্তান জন্ম দেওয়ার অনুমোদন চীনের সিচুয়ানে
পাকিস্তানের সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবানের (পিটিটি) এক কমান্ডার জানান, এ হামলার সঙ্গে তারা জড়িত। তবে পরবর্তীতে পিটিটি এটি অস্বীকার করে। এরপর এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এর দায় স্বীকার করেনি।
যে স্থানে বোমা হামলা হয়েছে সেখানে পেশোয়ার পুলিশের সদর দপ্তর, গোয়েন্দা সংস্থা এবং কাউন্টার-টেরোরিজমের অফিস অবস্থিত। ওই এলাকাটি কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত হলেও হামলার দিন হামলাকারী সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করে এবং আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়।