ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

তুরস্ক-সিরিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১৯০০ ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০:৪৪, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
তুরস্ক-সিরিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১৯০০ ছাড়াল
ছবি: সংগৃহীত

তুরস্ক ও সিরিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত হয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৯০০ মানুষ। আহত হয়েছেন ৮ হাজারের বেশি।

তুর্কি প্রশাসনের বরাতে সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ভূমিকম্পে তুরস্কে ১ হাজার ১২১ জন নিহত এবং ৭ হাজার ৬৩৪ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটিতে ভূমিকম্পে ৮০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।

ভূমিকম্পের ঘটনায় বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই ভূমিকম্পে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। হতাহতদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় গাজিয়ান্তেপ প্রদেশের নূরদাগি শহরের পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী এই ভূমিকম্প। অঞ্চলটি সিরিয়ার সীমান্তবর্তী।

আরো পড়ুন>> একুশ শতকের ভয়াবহ ৭টি ভূমিকম্প

তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে তুরস্কের সাতটি প্রদেশের অন্তত দশটি শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহরগুলো হলো গাজিয়ান্তেপ, কাহরামানমারাস, হাতে, ওসমানিয়া, আদিয়ামান, মালাতিয়া, সানলিউরফা, দিয়ারবাকির এবং কিলিস। এছাড়া সিরিয়ার আলেপ্পো, হামা এবং লাকাতিয়া শহরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই ভূমিকম্পে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী এই ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৪ দশমিক ১ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হয়। এর প্রায় ১১ মিনিট পর আরো একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে তুরস্কের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের একটি এলাকায়। এ দফায় ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭। দ্বিতীয় দফায় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।

আরো পড়ুন>> তুরস্কের আরেক শহরে আবার শক্তিশালী ভূমিকম্প

সিরিয়া সীমান্তবর্তী গাজিয়ান্তেপ তুরস্কের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা। এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, তুরস্ক ও সিরিয়া ছাড়াও লেবানন ও সাইপ্রাসেও এর ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে। এমনকি মিসরের রাজধানী কায়রোতেও এর তীব্রতা টের পাওয়া গেছে।

এদিকে ১২ ঘণ্টার কম সময়ের ব্যবধানে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরো একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ২৪ মিনিটে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কাহরামানমারাস শহরের কাছে আঘাত হানে। শহরটি গাজিয়ান্তেপের উত্তরে প্রায় ৮০ মাইল দূরে অবস্থিত। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!