মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দেশটির জাম্বি শহর থেকে পুলিশ ওই তরুণীকে গ্রেপ্তার করে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কোকোনাটস জাকার্তা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্দেহভাজন ২৫ বছর বয়সী ওই তরুণী ‘ওয়াইএস’ (ছদ্মনাম) প্লেস্টেশন ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা করতেন। এটাই ছিল শিশু-কিশোরদের ফাঁদে ফেলার কৌশল। ভিডিও গেমসে আসক্ত শিশু-কিশোররা তার কাছে যেতো গেমস খেলতে।
.png)
পুলিশ জানায়, ভিডিও গেমস খেলার জন্য শিশু-কিশোরদের ঘরে ডাকতেন তিনি। তাদের বেশ সময় দিতেন। আর একটা সময় কিশোরদের শ্লীলতাহানী করেন। বিকেলের দিকেই এমন ঘটনা বেশি ঘটাতেন তিনি। তখন বেশিরভাগ ছেলেরা গেম খেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকত। এই বয়সী ছেলেদের একে একে তার ঘরে ডেকে নিয়ে যেতেন এবং তাদের সঙ্গে অনৈতিক কাজে জড়াতেন।
আরো পড়ুন>> ধংসস্তুপে চাপা পড়ে থাকা মেয়ের হাত ধরে বসে আছেন অসহায় বাবা
জাম্বির নারী ও শিশু সুরক্ষা সংস্থা বলেছে, ভুক্তভোগী ওই ১১ জন শিশু-কিশোরকে তারা মনস্তাত্ত্বিক পরামর্শ দিচ্ছেন।
জাম্বি পুলিশ বলছে, ওই নারীর নির্যাতনের সংখ্যা ১৭ জন পর্যন্ত হতে পারে। ভুক্তভোগী ওইসব ছেলেদের পরিবার শুক্রবার ওয়াইএসের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে রিপোর্ট করে। এরপর পুলিশ তাকে স্থানীয় সময় গত শনিবার গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ আরো জানায়, ২৫বছর বয়সী ওই নারী বিবাহিত। তার ১০ মাস বয়সী একটি সন্তানও রয়েছে।