সংবাদমাধ্যম ‘দ্য স্ট্রেট টাইমস’-এর প্রতিবেদন বলা হয়েছে, জাপানের ওসাকায় একটি সরকারি অফিসে কাজের ফাঁকে ফাঁকে ধূমপান করতেন এক ব্যক্তি এবং তার দুই সঙ্গী। সেই খবর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছলে তাদের ডেকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। এরপরেও যদি ধূমপান না ছাড়েন, তা হলে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হতে পারে, এমনটাও জানানো হয়। কিন্তু তার পরেও ওই তিনজন লুকিয়ে ধূমপান চালিয়ে যান।
অফিসের এইচআর থেকে কয়েক বার সতর্ক করার পরেও যখন কাজ হয়নি, তখন তাদের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে তিন জনকে তলব করে এইচআর। সেখানেও তারা মিথ্যা কথা বলেন। কিন্তু আবার ধূমপান করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়তেই ‘শাস্তি’র ব্যবস্থা করেন কর্তৃপক্ষ।
.png)
আরো পড়ুন>> নিলামে উঠছে অতি বিরল গোলাপী হীরা
ডিরেক্টর পদমর্যাদার ওই কর্মীকে ‘লোকাল পাবলিক সার্ভিস অ্যাক্ট’-এ ‘কর্তব্যে নিষ্ঠার অভাব’-এর অভিযোগ এনে জরিমানা করা হয়েছে। তার বেতন থেকে ১.৪৪ মিলিয়ন ইয়েন (১১,০০০ ডলার), যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়াও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তার বেতন কাটা হয়েছে। ছয় মাসের বেতন থেকে কেটে নেয়া হয়েছে ১০ শতাংশ করও।
ধূমপান নিয়ে ওসাকায় কঠোর আইন রয়েছে। ২০০৮ সালে চালু হওয়া সেই আইনে বলা হয়েছে, সরকারি অফিস বা অফিস চত্বরে বা সরকারি কোনো সংস্থায় কোনো ভাবেই ধূমপান করা যাবে না। ২০১৯ সালে এক সরকারি স্কুলের শিক্ষক ৩ হাজার ৪০০ বার ধূমপান করায় তাকেও বিপুল অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছিল।