তাদের সঙ্গে থাকা অন্য দুইজন হচ্ছেন নভোচারী পেগি হুইটসন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বৈমানিক জন শফনার।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরালের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্থানীয় সময় রোববার (২১ মে) বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটে সৌদির এই দুই নভোচারীসহ চার সদস্যের মিশনটি যাত্রা শুরু করে।
.png)
অ্যাক্সিওম মিশন ২ (অ্যাক্স-২) নামের এ মিশনের অপর দুই সদস্য হলেন পেগি হুইটসন ও জন শফনার। পেগি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার একজন সাবেক মহাকাশচারী। তিনি চতুর্থবারের মতো আইএসএসে গেলেন।
শফনার পেশায় ব্যবসায়ী। যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের এই ব্যক্তি মিশনটিতে পাইলট হিসেবে কাজ করেন।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এ চারজন প্রায় ১০ দিন থাকবেন।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বারনাভি বলেছিলেন, সৌদিসহ এ অঞ্চলের প্রথম নারী নভোচারী হতে পারাটা তার জন্য একটা বড় আনন্দ ও সম্মানের বিষয়। এ মিশনের অংশ হতে পেরে তিনি খুবই খুশি।
মিশনে সৌদির আরেক নভোচারী আল-কারনি বলেছিলেন, সব সময় অজানা বিষয় অনুসন্ধান, আকাশ-তারার রহস্য জানার ব্যাপারে তার মধ্যে একটা প্রবল আগ্রহ কাজ করে এসেছে। এই আগ্রহ সরাসরি মেটাতে পারা তার জন্য একটা বড় সুযোগ।
সৌদি আরব ২০১৮ সালে সৌদি স্পেস কমিশন প্রতিষ্ঠা করে। মহাকাশে নভোচারী পাঠানোর জন্য সংস্থাটি গত বছর একটি প্রকল্প চালু করে।
সূত্র: আরব নিউজ