অভিযুক্তের আইনজীবী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি সরকারি কবরস্থানে স্ত্রীকে কবর দিতে চাননি। তাই তিনি স্ত্রীকে ফ্রিজে রেখে দিয়েছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য, অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রী ২০১৮ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তবে এ বিষয়টি ওই ব্যক্তি কাউকে জানাননি। এদিকে ওই নারীকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানায়। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি জানান, তার স্ত্রী পরিবারের সঙ্গে আর যোগাযোগ রাখতে চান না। আর এ কারণে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন।
.png)
গত মাসে একটি অভিযানে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দোষ স্বীকার করে নেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশকে জানান, তিনি তার স্ত্রীর মরদেহ ফ্রিজে রেখেছিলেন। ভুক্তভোগী নরওয়ের রাজধানী স্টকহোম থেকে ৩৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত আরজাং শহরে থাকতেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানান, বাসার খাদ্য সংরক্ষণে যে ফ্রিজ ব্যবহার করা হয় সেখানেই স্ত্রীকে রেখেছিলেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। এসময় তিনি তার স্ত্রীর পেনশন বাবদ এক লাখ ১৬ হাজার ডলার উত্তোলন করেন।