গাজায় ৪০ হাজার টন বিস্ফোরক ফেলেছে ইসরায়েল
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গত ৭ অক্টোবর থেকে নির্বিচারে বোমা হামলা চালিয়ে আসছে ‘মধ্যপ্রাচ্যের দখলদার’ খ্যাত ইসরায়েল। এরপর ২৮ অক্টোবর থেকে স্থল হামলাও শুরু করে হানাদার ইসরায়েলি বাহিনী। গত ৪৮ দিনের এ হামলায় অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে ৪০ হাজার টনেরও বিস্ফোরক ফেলা হয়েছে।
রোববার (২৬ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আনাদলু এজেন্সি।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, আইডিএফের এ পরিমাণ বিস্ফোরক নিক্ষেপের স্পষ্ট লক্ষ্য হলো অঞ্চলটি বসবাসের অযোগ্য করে তোলা। ইহুদিবাদী ইসরায়েলের নজিরবিহীন এ হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৮৫৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজারের বেশি নারী ও শিশু। আহত হয়েছে ৩০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।
.png)
এদিকে গত ২৪ নভেম্বর থেকে চার দিনের যুদ্ধবিরতি সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। বর্তমানে সেই যুদ্ধবিরতি চলছে।
যুদ্ধবিরতির তৃতীয় দিনে গাজার মিডিয়া অফিসের প্রধান সালামা মারুফ টেলিগ্রামে দেওয়া বিবৃতিতে বলেন, ‘ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী উপত্যকায় ৪০ হাজার টন বিস্ফোরক ফেলেছে। দখলদারদের নৃশংসতা ক্যামেরার মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের পর বিষয়টি উন্মোচিত হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ইসরায়েলের ব্যবহৃত এবারের বোমাগুলো আগে কখনও ব্যবহার করা হয়নি। শতাধিক মানুষকে নিহত হওয়ার স্থানেই কবর দেওয়া হয়েছে। এ ধ্বংসযজ্ঞ গাজাকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলার ইচ্ছার প্রতিফলন।
গাজায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুকে ‘গণহত্যা’ বলে অভিহিত করেন তিনি। মারুফ জানান, গাজা উপত্যাকার জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ এখনও প্রয়োজনীয় সরবরাহ পায়নি। সেখানে সব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের অনুপস্থিতি স্পষ্ট।