ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

কমেই চলেছে চীনের জনসংখ্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:০৩, ১৮ জানুয়ারি ২০২৪
কমেই চলেছে চীনের জনসংখ্যা
ছবি: সংগৃহীত

একসময় বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন যা জনসংখ্যায় ভারতকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল, এখন কমতে থাকা জন্মহার বাড়াতে লড়াই করছে। দ্বিতীয় বছরের মতো চীনে জনসংখ্যার হার কমেছে।

বুধবার চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (এনবিএস) জানিয়েছে, ২০২৩ সালে জনসংখ্যা হ্রাস বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালে চীনের জনসংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪০৯ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন যা ২০২২ সালের তুলনায় ২ দশমিক ০৮ মিলিয়ন কমেছে। জনসংখ্যা কমার পাশিপাশি জন্মহারও প্রতি হাজারে কমে ৬ দশমিক ৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এই সংখ্যাটি ১৯৪৯ সালের পর সর্বনিম্ন। ২০২৩ সালে চীনে ৯০ লাখ ২০ হাজার শিশু জন্মগ্রহণ করেছে। এর আগের বছর এই সংখ্যাটি ছিল ৯৫ লাখ ৬০ হাজার।

শেষবার চীনে রেকর্ড জনসংখ্যা কমেছিল ১৯৬০ সালে। ওই সময় দেশটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছিল। তবে এরপর দেশটিতে জনসংখ্যা বাড়া শুরু করে। তবে অধিক জনসংখ্যার ভয়ে ১৯৮০ সালে চীন বিতর্কিত ‘এক শিশু’ নীতি গ্রহণ করে। যার কারণে জনসংখ্যা অনেক বেশি হ্রাস পায়। ভুল উপলব্ধি করতে পেরে ২০১৬ সালে এই নীতি পরিহার করে দেশটি। 

Advertisement

২০২১ সাল থেকে চীন দম্পতিদের তিন সন্তান নিতে উৎসাহিত করতে থাকে। তবে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে দিন দিন জনসংখ্যা কমেই চলেছে। গত বছর ভারতের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশের তকমা হারায় চীন।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, জন্মহার কমের বিষয়টি চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে কোণঠাসা করে দিতে পারে। 

তবে চীন দাবি করেছে, তারা আর্থিক ক্ষেত্রে বৃদ্ধির টার্গেট পূরণ করতে পেরেছে। দেশটির পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, গত বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর- এই তিন মাসে জিডিপি বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে পাঁচ দশমিক দুই শতাংশে। করোনার কড়াকড়ি তুলে নেওয়ার পর চীনের আর্থিক বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল পাঁচ শতাংশ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!