রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাজ্যের সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বেলারুশে প্রায় এক হাজার ওয়াগার সেনা আছে বলে তারা জানতে পেরেছে। রাশিয়ার এই বেসরকারি সেনা আগেই বেলারুশে গিয়েছিল।
২০২৩ সালের জুন মাসে আট হাজার ওয়াগনার সেনা বেলারুশে আসে। তাদের নেতা সে সময় রাশিয়ার সেনার ভিতরে বিদ্রোহ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। যুক্তরাজ্যের আশঙ্কা, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো এই সেনাকে নিজের মতো করে ব্যবহার করছেন।
.png)
যুক্তরাজ্য বলছে, ওয়াগনার সেনা বেলারুশের সেনাকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, সীমান্তরক্ষী বাহিনীতেও ওয়াগনার সেনাকে ঢোকানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এক সময় ইউক্রেন যুদ্ধে ওয়াগনার সেনাকে রাশিয়া ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে রাশিয়াকে সুবিধা করে দিয়েছে এই সেনা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এক সময় পুতিনঘনিষ্ঠ ওয়াগনার প্রধান সরাসরি রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বসেন। দেশের সেনাবাহিনীর ভিতর বিদ্রোহ তৈরির চেষ্টা করেন তিনি। পরে বেলারুশে এসে আশ্রয় নেন।
এদিকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে রাশিয়া। লিসিচান্সক শহরটি এখন মস্কোর অধীনে। রাশিয়ার অভিযোগ, সেখানে একটি বেকারিতে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮। সপ্তাহান্তে ওই বেকারিতে রুটি কিনতে মানুষ ভিড় জমাতেন বলে জানিয়েছে রাশিয়া।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক মঞ্চকে এর জন্য দুঃখপ্রকাশ করতে আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে।
রাশিয়া জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকে আছেন। রোববার ১০ জনকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ২০২২ সালে লড়াই শুরু হওয়ার পরেই ইউক্রেনের এই শহরটি দখল করে রাশিয়া। ইউক্রেনের দাবি, এখন সেখানে দশ ভাগের এক ভাগ মানুষ বসবাস করেন।
সূত্র: ডিফেন্স এক্সপ্রেস