বুধবার স্থানীয় সময় সকালে পিয়ংইয়ংয়ে পৌঁছানোর পর স্বাগত অনুষ্ঠান শেষে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসেন কিম ও পুতিন। এ সময় এসব কথা বলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে মস্কো। আর তাই বৈঠকে ইউক্রেনে চলমান রাশিয়ার যুদ্ধে "পূর্ণ সমর্থন ও সংহতির" প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। বৈঠকে দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন পুতিন ও কিম।
.png)
জানা গেছে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সমর্থনের জন্য কিমকে ধন্যবাদ জানান পুতিন। এছাড়া দুই দেশ তাদের অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবে বলেও জানান তিনি। তবে অস্ত্র হস্তান্তরের কথা অস্বীকার করলেও সামরিক সম্পর্ক জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া।
এদিকে পুতিনকে উদ্ধৃত করে রুশ গণমাধ্যম বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে মস্কো। আর কিম বলেন, উত্তর কোরিয়া-রাশিয়া সম্পর্ক ‘সমৃদ্ধির নতুন উচ্চতায়’ উঠেছে।
কিম আরো বলেন, ‘বিশ্ব পরিস্থিতি জটিলতর হয়ে উঠছে এবং দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এমন সময়ে আমরা রাশিয়া ও রাশিয়ার নেতৃত্বের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ আরো জোরদার করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার জন্য ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনার’ বিষয়ে রাশিয়ার সরকার, সেনাবাহিনী ও জনগণের প্রতি উত্তর কোরিয়া পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করে।
ওয়াশিংটনকে খোঁচাতে প্রায়ই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ককে ব্যবহার করে রাশিয়া। আর নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা উত্তর কোরিয়া মস্কো থেকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থনের পাশাপাশি বাণিজ্য সুবিধা পায়।