গবেষণাগার কর্তৃপক্ষ বলছে, খাঁচায় ৫০টি বানর ছিল। এর মধ্যে ৪৩টি পালিয়েছে। ৭টি থেকে গেছে।
এদিকে এ ঘটনার পর রিসাস ম্যাকাক প্রজাতির বানরগুলোকে ধরার চেষ্টা করছে পুলিশ।
.png)
আলফা জেনেসিস নামের একটি কোম্পানি বানরগুলোকে তত্ত্বাবধান করত। চিকিৎসাসংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিভিন্ন গবেষণার কাজে বানরসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন–পালন করে কোম্পানিটি।
বানরগুলো নিখোঁজ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বাসিন্দাদের দরজা-জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে। বানর দেখতে পেলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ইয়েমাসি পুলিশ বিভাগের তথ্যমতে, পালিয়ে যাওয়া বানরগুলো কম বয়সী স্ত্রী বানর। এদের একেকটির ওজন প্রায় ৭ পাউন্ড (৩ কেজি ২০০ গ্রাম) করে।
গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশ বলেছে, কোম্পানিটি ইতিমধ্যে বানরের দলটিকে শনাক্ত করতে পেরেছে এবং তাদের খাবারের লোভ দেখানোর চেষ্টা চলছে।
পুলিশ বলেছে, ‘দয়া করে কোনো পরিস্থিতিতেই এসব প্রাণীর কাছে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না।’
পুলিশের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বানরগুলোকে ধরতে এলাকাটিতে ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ নিযুক্ত আছে। প্রাণীগুলোকে শনাক্ত করার চেষ্টায় থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।
গবেষণা সংস্থাটির কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, আকারে ছোট হওয়ায় বানরগুলোর ওপর এখনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়নি। এগুলো এতটাই কম বয়সী যে রোগজীবাণু ছড়ানোর মতো সক্ষমতা নেই।
আলফা জেনেসিসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গ্রেগ ওয়েস্টারগার্ড বলেছেন, বানরের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি ‘হতাশাজনক’। তবে বানরদের খাওয়ার মতো খুব বেশি কিছু জঙ্গলে নেই। তারা আপেল পছন্দ করে, যা তারা সেখানে মিলবে না। ফলে আগামী এক-দুই দিনের ভেতর তারা ফিরে আসবে বলে আশা করা যায়।
সাউথ ক্যারোলাইনাভিত্তিক সংবাদপত্র দ্য পোস্ট এবং কুরিয়ারের তথ্য বলছে, গবেষণাকেন্দ্র থেকে বানর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়।
২০১৬ সালেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। তখন ১৯টি বানর পালিয়ে যায়। প্রায় ছয় ঘণ্টা পর তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। তারও দুই বছর আগে প্রাইমেট বর্গের ২৬টি প্রাণী গবেষণাগার থেকে পালিয়ে গিয়েছিল।
সূত্র: বিবিসি