মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে নতুন এ দিন ধার্য করেন।
এর আগে কারাগারে আটক থাকা তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় জামিনে থাকা আসামি সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন আদালতে উপস্থিত হন। এরপর তাদের উপস্থিতিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার বাদী আব্দুস সালাম চৌধুরীর জেরা শুরু করেন। তবে জেরা শেষ না হওয়ায় আদালত পরবর্তী জেরা ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।
.png)
এর আগে ১১ জানুয়ারি মামলার বাদী ও সগিরা মোর্শেদের স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরী আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
এ মামলার আসামিরা হলেন- নিহত সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, হাসান আলীর শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান ও ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজা।
২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সগিরা মোর্শেদের ভাসুরসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩১ বছর পর পুনরায় এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হয়।
এর আগে ১৬ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সগিরার ভাসুরসহ চারজনকে আসামি করে ১ হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার একটি অভিযোগত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম। এরপর একই বছরের ৯ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পিবিআইয়ের দেয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সাগিরা মোর্শেদ সালাম ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই ভিকারুননিসা নূন স্কুল থেকে মেয়েকে আনতে যান। বিকেল ৫টার দিকে সিদ্ধেশ্বরী রোডে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা ছিনতাইকারীরা তার হাতে থাকা স্বর্ণের চুড়ি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় তাকে গুলিও করা হয়। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথেই মারা যান সাগিরা মোর্শেদ সালাম। এ ঘটনায় ওইদিনই রমনা থানায় মামলা করেন তার স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরী।