শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মন্ডলের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
.png)
এদিন রিমান্ড শেষে রাজ ও তার সহযোগী সবুজকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা। এসময় আসামিপক্ষে তাদের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে ১০ আগস্ট মাদক মামলার চার দিনের রিমান্ডে শেষে আদালতে হাজির করা হয় রাজসহ তার সহযোগীকে। এরপর মাদক মামলায় তাকে ফের পাঁচদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি।
এর আগে ৭ আগস্ট পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় রাজ ও তার সহযোগীকে দশ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তাদের মাদক মামলায় দুদিন এবং পর্নোগ্রাফি মামলায় চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, ৪ আগস্ট তার বনানীর বাসায় র্যাব অভিযান চালায়। এসময় রাজের বাসা থেকে মাদক ও সিসা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। রাত ১০টার দিকে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে উদ্ধার করা মালপত্র নিয়ে আসা হয়। পরে রাজ ও তার সহযোগীকে আটক করে র্যাব সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন গত ৫ আগস্ট বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে র্যাব সদর দফতর থেকে পরীমনি, রাজ ও তাদের দুই সহযোগীকে কালো একটি মাইক্রোবাসে করে নিয়ে বনানী থানায় নিয়ে যায় র্যাব। এরপর তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করে র্যাব।