ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

ম্যাজিস্ট্রেটের সই জালিয়াতি: স্ট্যাম্প বিক্রেতা পাঁচদিনের রিমান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:১৪, ৭ জানুয়ারি ২০২২
ম্যাজিস্ট্রেটের সই জালিয়াতি: স্ট্যাম্প বিক্রেতা পাঁচদিনের রিমান্ড
ফাইল ফটো

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর সই জালিয়াতির মাধ্যমে হলফনামা তৈরি করে দেওয়ার অভিযোগের মামলায় স্ট্যাম্প বিক্রেতা আশরাফুল ইসলামের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। 

শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহমেদের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন আসামি আশরাফুল ইসলামকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

Advertisement

মামলার এজাহারে বলা হয়, ভুক্তভোগী মো. রহমত আলী গার্মেন্টসে চাকরি করেন। তিনি বিদেশ যেতে পাসপোর্ট করেন। তবে পাসপোর্টে ভুক্তভোগীর নাম ও তার বাবার নাম ভুল হয়। এরপর তা সংশোধনের জন্য গত ৫ জানুয়ারি আদালতে গিয়ে আসামি মো. আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় কাজের বিনিময়ে তাকে নগদ এক হাজার টাকা প্রদান করেন। এরপর আসামি আশরাফুল ইসলাম ও তার সহযোগী মোহাম্মদ আলীর সহযোগিতায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর সই সম্বলিত নোটারি পাবলিক (হলফনামা) তৈরি করে দেন। ভুক্তভোগী রহমত আলী ঐ দিন বেলা আড়াইটার দিকে তাদের কাছ থেকে এ হলফনামা নিয়ে চলে যান। পরবর্তীতে সন্দেহ হলে ৬ জানুয়ারি ভুক্তভোগী রহমত আলী এ হলফনামা নিয়ে ঢাকা মহানগর আদালতের রেজিস্ট্রার অফিসে যান। 

অফিসে কর্মরত ব্যক্তিরা জানায়, হলফনামা খানায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর নয়। এরপর রেজিস্ট্রার পর্যালোচনায় দেখা যায়, নোটারিটি পাবলিক হয়নি। এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানাকে জানালে পুলিশ এসে আসামি আশরাফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। তবে অপর আসামি মোহাম্মদ আলী পালিয়ে যায়। এসময় একটি সিপিইউ, একটি মনিটর, একটি প্রিন্টার, কিবোর্ড ও মাউস জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রহমত আলী রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!