ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

উত্তর খানের নাছির হত্যা মামলার রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:১৭, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২
উত্তর খানের নাছির হত্যা মামলার রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি
ফাইল ফটো

রাজধানীর উত্তর খান থানার মাউসাইদ পূর্বপাড়ার সহকারী আনসার এ্যাডজুটেন্ট মো. নাছির উল্লাহ খান হত্যা মামলার রায়ের জন্য আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

সোমবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল নং-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এ দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবু আব্দুল্লাহ ভুইয়া বিষয়টি জানিয়েছেন। 

আরো পড়ুন>>> মা-বাবাকে হত্যার হুমকি দিয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

Advertisement

এ মামলার আসামিরা হলেন- মো. সালাম, শেখ আবু, রহমান খা, রেজাউল করিম হাওলাদার, আরব আলী হাওলাদার ওরফে ডাকাত আলী, নুরুল ইসলাম তালুকদার ওরফে নুরা তালুকদার ওরফে গরুচোর নুরা, গোলাম মোস্তফা ওরফে গোলাম মোস্তফা খা, রেজাউল বেপারী ওরফে রেজু বেপারী, লিটন হাওলাদার, মো. জালাল খা, মিজান মোল্লা, সহি সরদার, ইয়ামিন বেপারী, ফজলুল করিম সরকার। এদের মধ্যে বিচার চলাকালীন রেজাউল করিম হাওলাদার ও শেখ আবু মারা গেছে। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে ঢাকার উত্তর খান থানার মাউসাইদ (পূর্ব পাড়া) এলাকায় সহকারী আনসার অ্যাডজুটেন্ট মো. নাছির উল্লাহ খানের বসত বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাত দল বাড়ি ঘেরাও করে। পরে ঘরের বাইরে থেকে জানালা দিয়ে মো. নাছির উল্লাহ খানকে গুলি করে গুরুতর আহত করেন এবং ঘরের কেচি গেইটের তালা ও মূল দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ডাকাতরা। এরপর নাছির উল্লাহ খানকে আহত অবস্থায় চিৎকার দিতে থাকলে তার স্ত্রী আবেদা সুলতানা ও মেয়ে নুসরাত জাহান বৃস্টি রুমে আসেন। তখন ডাকাতরা তাদেরও মারপিট করে এবং ভয়ভীতি দেখায়। 

এ সময় ডাকাতরা আহত নাছির উল্লাহ খানকে পূনরায় ড্রয়িং রুমে গুলি করে ও ঘরের আলমারি ভেঙে নগদ চল্লিশ হাজার টাকা দুটি মোবাইল সেট ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় দুই লাখ ৭১ হাজার টাকার মালামাল ডাকাতি করে।

আরো পড়ুন>>> গাইবান্ধায় মাদক ব্যবসায়ীর পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

পরবর্তীতে গুরুতর আহত নাছির উল্লাহ খানকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

পরে নিহত নাছির উল্লাহ খানের ছোট ভাই মো. শামসুদ্দিন খান বাদী হয়ে উত্তর খান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তকালে আসামি শেখ আবুকে গ্রেফতার করে এবং তার কাছ থেকে ডাকাতির মালামাল মোবাইল সেট উদ্ধার করেন। 

এ মামলার তদন্তকালে আসামি রেজাউল করিম, আসামি মো. সালাম, আসামি শেখ আবু, আসামি রহমান খা ও আসামি আরব আলী হাওলাদার আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেনে। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তকাজ শেষ করে ২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিল ১৪ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত মামলায় সর্বমোট ২৩ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা রেকর্ড করা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!