ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

চিত্রনায়ক সোহেল হত্যা: বোতল চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক 
প্রকাশিত: ১২:৫৯, ১৭ এপ্রিল ২০২২
চিত্রনায়ক সোহেল হত্যা: বোতল চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর
আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী- ফাইল ফটো

নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় আসামি আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জাকির হোসেন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে, এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

Advertisement

গত ৫ এপ্রিল রাতে রাজধানীর গুলশান থেকে আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরীকে হত্যা মামলায় (৬৩) গ্রেফতার করে র‍্যাব। এ সময় ২২ বোতল বিদেশি মদ, ১৪ বোতল সোডা ওয়াটার, একটি আইপ্যাড, ১৬টি বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, দুটি আইফোন ও নগদ দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাব-১০ এর ডিএডি জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। এ মামলায় কারাগারে আটক রয়েছে আশিষ চৌধুরী। এরপর গত ১১ এপ্রিল সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় আসামি বোতল চৌধুরীকে আদালতে হাজিরের জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে আদেশ দেওয়া হয়।

চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- আদনান সিদ্দিকী, ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন ওরফে বস লিটন, ফারুক আব্বাসী ও শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন।

১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা যান চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী। ঐ ঘটনায় নিহতের ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী নয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

ঐ বছরই আসামিদের মধ্যে একজন হাইকোর্টে আবেদন আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৩ সাল থেকে দীর্ঘ ১৯ বছর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটি স্থগিত ছিল। সর্বশেষ গত ২৭ ফেব্রুয়ারি স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হলে ফের মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!