মাদক মামলায় জামিন পেলেন সেলিম প্রধান
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানের জামিনের মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার ৪র্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আমিরুল ইসলামের আদালত দশ হাজার টাকা মুচলেকায় এ জামিন মঞ্জুর করেন।
এদিন এ মামলা সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। এজন্য এ মামলার সাক্ষী বাড়ির ম্যানেজার তাজুল ইসলাম ও দারোয়ান রাশেদ সাক্ষ্য দেন। এরপর সেলিম প্রধানের পক্ষে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ নিয়ে সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে করা চার মামলার মধ্যে দুই মামলার জামিন মঞ্জুর করলো আদালত।
এর আগে, মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায়ও জামিন পান সেলিম প্রধান। তবে দুদকের একটি মামলা ও অপর আরেকটি মামলায় সেলিম প্রধান কারাগারে আটক রয়েছেন। এজন্য তিনি এখনি কারামুক্ত হতে পারছেন না।
আরো পড়ুন> ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন: হলি ফ্যামিলির সালাউদ্দিনের বিচার শুরু
২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করে র্যব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নগদ ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে হরিণের চামড়া পাওয়া যায়। ওইদিনই সেলিম প্রধানকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান। পরদিন গুলশান থানায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও মানিলন্ডারিং আইনে দুটি মামলা করে র্যব। ঐ মামলাগুলোয় তাকে কয়েক দফা রিমান্ডে নেয়া হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে দুদক মামলা করে। এ মামলায়ও তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। মাদক মামলাটি তদন্ত করে র্যব-১ এর সাব-ইন্সপেক্টর (নি.) হারুন অর রশিদ সেলিম প্রধানসহ তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
.png)
অপর দুই আসামি হলেন- তার সহযোগী আক্তারুজ্জামান ও রোমান। গত বছরের ৫ জানুয়ারি তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত তিন জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলার বিচার চলছে।