মুক্তি পেলেন পি কে হালদারের সহযোগীর দুই মেয়ে
ব্যাংক ও আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত পি কে হালদারের অন্যতম সহযোগীর দুই মেয়ে মুক্তি পেয়েছেন। পরিবারের চার সদস্যের পাসপোর্ট ও ২ সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দেওয়ার পর বুধবার রাতে র্যাব হেফাজত থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে (কোম্পানি কোর্ট) বৃহস্পতিবার ২ বোনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আবু তালেব এ তথ্য জানান।
পি কে হালদারের সহযোগী পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (পিএলএফএসএল) সাবেক পরিচালক মো. খবির উদ্দিনের দুই মেয়ে হলেন-শারমিন আহমেদ ও তানিয়া আহমেদ।
এর আগে, ৭ মার্চ একই বেঞ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিংয়ের ঋণখেলাপি ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে তলব করেন। হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতররি পরোয়ানা জারির কথাও বলেন আদালত। ঐ তালিকায় শারমিন ও তানিয়া ছিলেন। তারাসহ ৩০ ব্যক্তি হাজির না হওয়ায় ১৯ এপ্রিল আদালত তাদের গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। এরপর বুধবার ভোরে রাজধানীর ধানমন্ডি ও শ্যামলী থেকে ২ বোনকে গ্রেফতার করে র্যাব।
১৯৯৭ সালের ২৪ নভেম্বর আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিকে অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী সময়ে নানা অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির কারণে ২০১৯ সালে কোম্পানির সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সময় আদালত পি কে হালদারসহ প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করে।
গত মে মাসে পি কে হালদার ও তার পাঁচ সহযোগীকে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা থেকে গ্রেফতার করে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।