পি কে হালদারের বিরুদ্ধে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের মামলায় পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ছয়জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে এ সাক্ষ্য দেন তারা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাক্ষীরা হলেন- গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক, নারায়ণগঞ্জের এভিপি এসএম মাহফুজুর রহমান, উত্তরার সাব রেজিস্ট্রার মো. লুৎফর রহমান মোল্লা, ধানমণ্ডির সাব-রেজিস্টার মো. আবুল হোসেন, নারায়ণগঞ্জের সাব রেজিস্ট্রার আলী আজগর, মো. নুরুল আমিন ও মনিরুজ্জামান মুফতী। এছাড়া পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৯ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।
অন্যদিকে এদিন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিদর্শক মো. সালাউদ্দিন অবশিষ্ট সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে, দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ তার সাক্ষ্য স্থগিত করে অন্য ঐই ছয়জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়।
এদিন সাক্ষ্যগ্রহণের সময় কারাগারে থাকা চার আসামি অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা ও অনিন্দিতা মৃধাকে আদালতে হাজির করা হয়। এছাড়া গ্লোবাল ইসলামী (সাবেক এনআরবি গ্লোবাল) ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১০ আসামি পলাতক রয়েছেন।
বাকি পলাতকরা হলেন- পি কে হালদারের মা লিলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী।
এজাহারে বলা হয়, পি কে হালদার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ নিজ দখলে রেখেছেন। এছাড়া, ঐ অর্থ আড়াল করতে বিদেশে পাচার করে মানিলন্ডারিং আইনেও অপরাধ করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন।