ঢাকা,  বুধবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১৩০ বার পেছাল

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩:২৪, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১৩০ বার পেছাল
ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। নতুন করে আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে বহুল আলোচিত এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৩০ বার পিছিয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

Advertisement

এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। পরে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। হত্যাকাণ্ডের সময় তাদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ বাসায় ছিল।

ঘটনার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তাকর্মী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খানকে আসামি করা হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে তানভীর রহমান খান ও পলাশ রুদ্র পাল জামিনে রয়েছেন। অন্যরা কারাগারে আটক আছেন।

প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে। পরে তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাব।

পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্ত র‌্যাবের কাছ থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

এরপর গত ২৩ অক্টোবর উচ্চ আদালতের নির্দেশে সরকার চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। এতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধানকে আহ্বায়ক করা হয়। বর্তমানে পিবিআই এই মামলার তদন্ত করছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!