আমাদের সকলের ভাবনা চিন্তা করার ধরন আলাদা। আপনি একরকমভাবে জীবনকে দেখতে পারেন। অন্য মানুষটির হয়তো দেখার ধরন আলাদা। তাই আপনার পছন্দের সঙ্গে তার পছন্দ নাও মিলতে পারে। এই কারণে মতোবিরোধ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু দুশ্চিন্তা করবেন না।
>> বয়ফ্রেন্ডের ভায়া হয়ে আর কথা বলবেন না। বরং চেষ্টা করুন প্রেমিকের বন্ধুর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার। দেখুন তিনি মনের ভেতর কী লুকিয়ে রেখেছেন, কেন তিনি মেনে নিতে চাইছেন না ইত্যাদি বিষয়গুলো। তবেই আপনি নিজের মতো করে পুরো বিষয়টি সামলে ফেলতে পারবেন। এটাই আপনার প্রথম কাজ।
.png)
>> অনেক সময় প্রেমিকের বন্ধু আপনার সঙ্গে কথা না বলতেও পারেন। তবে আপনি পায়ে পা তুলে বসে থাকবেন না। বরং প্রেমিককে জিজ্ঞেস করুন যে ঐ মানুষটি কেন আপনাকে মেনে নিচ্ছেন না। সেই মতামত সম্পর্কে জেনে নিয়ে নিজের উত্তর দিন। তারপর না হয় বয়ফ্রেন্ড তার বন্ধুকে বোঝাতে পারেন।
>> আপনাকে ভুল ধারণা থেকে সরে আসতে হবে। মনে প্রেমিকের বন্ধুর সম্পর্কে ভুল ধারণা পুষে রাখবেন না। এতে সমস্যা বাড়তে পারে। আপনার সঙ্গে প্রেমিকের সম্পর্ক কয়েকদিনের হলেও, তার সঙ্গে অনেকদিনের। তাই এর মাঝে আসবেন না। এতে সম্পর্কের ক্ষতি নিশ্চিত। এই পয়েন্টটা মনে ঢুকিয়ে নিন।
>> অনেক সময় মানুষ আপনার ব্যাপারে ভুল তথ্য ছড়াতে পারেন। তবে এই কথা মেনে নেওয়া যাবে না। আপনি এই ধরনের কোনো কথা শুনলেই তার বিরোধিতা করুন। চুপ থাকলেই সবাই ভাববেন আপনি কোনো ভুল করে ফেলেছেন। তাই মুখ খুলতেই হবে। তা না করলে খারাপ হবে। এমনকী সঙ্গী ওনার কথাগুলোকেই সত্যি ভাবতে শুরু করবেন।
>> প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। সেই মানুষটি যদি বেস্টফ্রেন্ডের কথা বেশি করে মাথায় ঢুকিয়ে নেন, তবে আপনি আর কী করতে পারেন! মনে রাখবেন, এমন মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে থাকলে আখেরে আপনার ক্ষতি হতে পারে। তাই বেরিয়ে আসতেই পারেন অনায়াসে। এভাবেই ভালো থাকবেন। নিজের স্বাধীনতা বিকিয়ে দেবেন না।
সূত্র: এই সময়