অন্যান্য সবজির মধ্যে কাঁকরোল প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, গোল বেগুন প্রতিকেজি ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন প্রতিকেজি ৬০ টাকা, পেঁপে প্রতিকেজি ৬০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতিকেজি ৪০ টাকা, কচুর লতি প্রতিকেজি ৬০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতিকেজি ৬০ টাকা, ধুন্দল প্রতিকেজি ৬০ টাকা, করোলা প্রতিকেজি ৮০ টাকা, পটল প্রতিকেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর প্রতিকেজি ৮০ টাকা, কচুর মুখী প্রতিকেজি ১০০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৬০ টাকা এবং ঢেঁড়স প্রতিকেজি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কোরবানির মৌসুমে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়া নতুন ঘটনা নয়। গত বছরও ঈদের সময় হঠাৎ করে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছিল; খুচরা বাজারে তখন প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৫০০ টাকার আশপাশে বিক্রি হয়েছিল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের সময় বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম থাকে। এ ছাড়া বৃষ্টিসহ বিভিন্ন কারণে সরবরাহ খরচ বেড়েছে। তাই মরিচের দাম বাড়তি।
.png)
রান্নাঘরের নিত্যদিনের পণ্য পেঁয়াজ ও আলুর দামও বেড়েছে। বাজারে এখন দেশি পেঁয়াজই বেশি বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে পাইকারিতে ৭৫-৮০ টাকা কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল; তখন খুচরা পর্যায়ে দর ছিল ৯০ টাকা। তবে এখন পাইকারিতে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা।
আলুর ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। ঈদের আগপর্যন্ত খুচরা বাজারে আলুর কেজি ছিল ৬০ টাকা। তবে গতকাল পাইকারিতে আলুর কেজিপ্রতি চার টাকা দাম বেড়েছে। তাতে দু-এক দিনের মধ্যে খুচরা পর্যায়ে আলুর কেজি আরো বাড়তে পারে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়লে পেঁয়াজ, আলুর দাম কমবে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগির বাদামি ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমেছে। গতকাল কারওয়ান বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয় ১৫০ টাকায়। তবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো ঈদের আগের দাম, অর্থাৎ প্রতি ডজন ডিম ১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
তবে ডিমের দাম কমলেও বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। ঈদের আগে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৯০ টাকা বিক্রি হয়। বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ছিল ১৭০-১৯০ টাকা। আর সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি।
এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে রসুনের দাম কমেছে, তবে বেড়েছে শসা ও টমেটোর দাম। দেশি ও আমদানি করা উভয় ধরনের রসুনে কেজিতে ১০-২০ টাকা দাম কমেছে। আর শসা ও টমেটোর কেজিতে ২০-৪০ টাকা দাম বেড়েছে। অন্যান্য সবজি ও মাছের দাম মোটামুটি রয়েছে অপরিবর্তিত।