সোমবার বাবুল আক্তারের জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও কাজী মো. ইজারুল হক আখন্দের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
বাবুলের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, তার মক্কেলের হাইকোর্টের কাছে জামিন চাওয়ার কারণ হলো, প্রসিকিউশন তার স্ত্রী হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।
.png)
বাবুল আক্তারের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুল ইসলাম।
২০১৬ সালের ৫ জুন বন্দরনগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলের বাসস্টপে নিয়ে যাওয়ার সময় মিতুকে ছুরি মেরে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।
আরো পড়ুন> অরিত্রী আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল
হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হয়।
গত বছরের ১১ মে চট্টগ্রাম পিবিআই বাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কার্যালয়ে তলব করে। এ সময় বাবুল গোয়েন্দাদের সন্তোষজনক উত্তর দিতে ব্যর্থ হন এবং তাকে পিবিআইয়ের হেফাজতে নেয়া হয়।
পরদিন মিতুর বাবা বাবুলকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাবুলকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়।