সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা বলেন, যারা এই অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে তারা দেশের শ্রেষ্ঠ তরুণ। আন্দোলনে হতাহতদের স্মরণ রাখার জন্য যা করা দরকার সবই করা হবে। তবে অনেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তাদের মূলধারায় ফিরিয়ে এনে নিরাপদ জীবন নিশ্চিতে কাজ করা হবে। স্কুলে এবং নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনতে হবে।
.png)
চিকিৎসকদের কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, একসঙ্গে কাজ করে সবার সুস্বাস্থ্যের ব্যবস্থা করা হবে। হাসপাতালগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেস তৈরি করা হবে।
শারমিন এস মুরশিদ বলেন, আজ থেকে পুনর্বাসনের কাজ শুরু হলো। ডেমোগ্রাফিক ম্যাপ তৈরি করে কাজে নেমে যাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। এই যুবকরা পুনর্বাসিত না হলে আমার কেউ সুস্থ থাকব না। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় যত প্রকল্প আছে এখন সেগুলো এই আন্দোলনে আহতদের কথা মাথায় রেখে সাজানো হবে।