
দুই ধরনের মানুষকে নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়। দেখা যায়, যারা নিয়মিত সোশাল মিডিয়ায় নিজেদের ছবি পোস্ট করেন ও তার প্রতিক্রিয়া দেখতে উদগ্রীব হন, তারাই সব চেয়ে ভুল ডায়েটে থাকেন এবং অন্যদের চেয়ে ২.৬ গুণ শারীরিক ক্ষতির শিকার হন।
এমনই এক সমীক্ষা চালান লস অ্যাঞ্জেলসে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফর্নিয়ার ব্রেন ম্যাপিং সেন্টার। তাদের পরীক্ষায় দেখা যায়, এই স্বভাবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে বয়ঃসন্ধির কিশোর-কিশোরীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেদের ছবি পোস্ট করার সময় এবং এর প্রতিক্রিয়া কেমন হলো- তা দেখার যে মানসিকতা; তাতে মস্তিষ্কের থ্যালামাস ও হাইপোথ্যালামাসকে উত্তেজিত করে। ডোপামিন জাতীয় নানা নিউরো ট্রান্সমিটারের রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে ব্রেন রিওয়ার্ড সেন্টার উদ্দীপ্ত হয়। সোশাল মিডিয়ায় অতিরিক্ত সক্রিয়তা এই রাসায়নিক বিক্রিয়াকে বাড়িয়ে দেয়। যা আবেগতাড়িতভাবেও ক্ষতি করে মানুষের।
.png)
সমীক্ষা বলছে, যারা যত বেশি সোশাল মিডিয়ায় আসক্ত; তাদের দুর্বলতা, হতাশাটাও বেশি থাকে। মনোবিদদের মতে, প্রতিদিন এমন অনেক রোগী আসেন, যাদের হতাশার মূল কারণ এই সোশাল মিডিয়া। তারা বলছেন, এমনিতেই সোশাল মিডিয়ায় কেউ পুঁইডাটার চচ্চড়ি খাওয়ার বা বাড়ির পাশের খালের ধার ধরে হাঁটার ছবি সচরাচর দেন না।

দেখা যাচ্ছে, যে মানুষ যত বেশি সোশাল মিডিয়ায় আসক্ত; তার দুর্বলতা, হতাশা ইত্যাদি তত বেশি। এমনকি, অন্য বন্ধুরা দূরে বেড়াতে গেলে কেন আমাকে বাড়ির কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা নিয়েও চলছে মা-বাবার সঙ্গে বাকবিতন্ডা। বলা যায়, সোশাল মিডিয়া পরিবারেও বয়ে আনছে নানান সমস্যা।
সূত্র : নিউজ এইটিন, আনন্দবাজার