ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ তথ্য প্রযুক্তি ]

মহাকাশের স্বপ্নে মুগ্ধ ২০২ ক্ষুদে শিক্ষার্থী

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০:৩৪, ৩০ আগস্ট ২০২৬
মহাকাশের স্বপ্নে মুগ্ধ ২০২ ক্ষুদে শিক্ষার্থী
ছবি সংগৃহীত

একদিন মহাকাশচারী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিশু-কিশোরদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল রাজধানীর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাস। সেখানে অনুষ্ঠিত হয়েছে তৃতীয় স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াডের গ্র্যান্ড ফিনালে।

শনিবার দিনব্যাপী আয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাছাই হয়ে আসা ২০২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রতিযোগীদের বয়স ছিল ৬ থেকে ১৬ বছর। বয়স ও শেখার সক্ষমতা অনুযায়ী চারটি পৃথক ক্যাটাগরিতে সাজানো হয় প্রতিযোগিতা।

আয়োজকেরা জানান, এবারের অলিম্পিয়াডকে শুধু প্রশ্নোত্তরভিত্তিক কুইজে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। ছোটদের জন্য ছিল সৌরজগৎ, গ্রহ-নক্ষত্র, রকেট ও স্যাটেলাইটসহ মহাকাশবিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়। অপেক্ষাকৃত বড়দের জন্য রাখা হয় মহাকাশ রোবোটিকস, মঙ্গল গ্রহের রোভার, স্পেস স্টেশন, মহাকাশ অভিযান এবং ভবিষ্যতের মহাকাশ প্রযুক্তির মতো উন্নত বিষয়।

Advertisement

চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার আগে অনলাইনে কয়েক ধাপে বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরাও অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। অনলাইন পর্ব পেরিয়ে নির্বাচিত প্রতিযোগীরাই ঢাকার গ্র্যান্ড ফিনালে অংশ নেয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক। মহাকাশবিজ্ঞানের মতো বিষয় আনন্দের সঙ্গে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পেলে শিশুদের শেখা আরও গভীর ও কার্যকর হয়। তিনি ভবিষ্যতে দেশের বিজ্ঞান শিক্ষায় এ আয়োজন আরও বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের ফিজিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই মহাকাশ ও পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা জরুরি। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের গণ্ডির বাইরে গিয়ে প্রশ্ন করতে ও নতুনভাবে চিন্তা করতে শেখায়।

স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সভাপতি আরিফুল হাসান বলেন, দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্যেই ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবক তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনা বিকাশে ছোট বয়স থেকেই বিজ্ঞানমনস্কতা ও অনুসন্ধিৎসা তৈরি করতে হবে।

দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে চারটি বয়সভিত্তিক ক্যাটাগরিতে মোট ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। আয়োজকদের আশা, আগামীতে স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াড আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদের মহাকাশবিজ্ঞান চর্চার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এস আই এস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!